ঢাকাThursday , 11 November 2021
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

শ্রীউলায় চেয়ারম্যান পদে মাঠে নেমেছ আওয়ামী লীগের ৬ প্রার্থী সুযোগ সন্ধানে বিএনপি-জামায়াত

বিশেষ প্রতিনিধি ঢাকা
আপডেট: 11 November 2021, 23:09

সমীর রায়, আশাশুনি: আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আশাশুনির শ্রীউলা ইউপি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী সম্ভাব্য ৬ চেয়ারম্যান প্রার্থী তাদের প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন বেশ জোরে শোরে। অনেক আগে থেকেই তারা দোয়া-আশীর্বাদ চেয়ে বিলবোর্ড টাঙানো, মতবিনিময় সভা, উঠান বৈঠক ও গণসংযোগ করে যাচ্ছেন।

এখন পর্যন্ত যে ৬ জন সম্ভাব্য প্রার্থী নির্বাচনি মাঠে নেমেছেন তারা সবাই আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী সংগঠনের নেতা। প্রার্থীরা হলেন- উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. সাকিলুর রহমান, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি সাবেক চেয়ারম্যান এম.এ. নূর মোহাম্মাদ সরদার, উপজেলা কৃষকলীগের সহ-সভাপতি প্রভাষক দীপংকর বাছাড় (দীপু), আওয়ামী লীগ নেতা মনিরুল কবির মোল্যা, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ময়নুল ইসলাম (বুলু) ও যুবলীগ নেতা আলাউদ্দীন লাকী।

এ ৬ প্রার্থী প্রতিদিনই সকাল থেকে শুরু করে গভীর রাত পর্যন্ত ইউনিয়নের বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় গণসংযোগ, উঠান বৈঠক, নির্বাচনি সভা, ওয়াজ মাহফিল, জানাজা নামাজ, পূজা-পার্বণ, শ্রাদ্ধানুষ্ঠান, খেলাধূলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ অনুরুপ বিভিন্ন কর্মকান্ডে অংশগ্রহণের মাধ্যমে ভোটারদের আস্থাভাজন হওয়ার চেষ্টা করছেন। ইউনিয়ন বাসীর দৃষ্টি আকর্ষণ করতে কোন কোন প্রার্থীর পক্ষে ধুলো উড়িয়ে মোটরসাইকেল শো’ডাউন করতেও দেখা যাচ্ছে। ইউনিয়নের বিভিন্ন চায়ের স্টল, হাট-বাজার, পাড়া-মহল্লায় আর রাজনীতি সচেতন মানুষের মুখে মুখেও চলছে আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন নিয়ে আলাপ আলোচনা ও সম্ভাব্য প্রার্থীদের ভালো-মন্দ দিক, জনসেবা, যোগ্যতার মাপকাঠি আর দলীয় মনোনয়ন প্রাপ্তির সম্ভাব্যতা নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ চলছে। তবে এখনও পর্যন্ত মোট ভোটারের বড় একটি অংশ বিএনপি-জামায়াত ও অন্যান্য দলের কোন প্রার্থীকে মাঠে প্রচার-প্রচারণায় দেখা যায়নি। তারা দলীয় সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন বলে বিশ্বস্ত সূত্রে জানাগেছে।

আবু হেনা মো. সাকিলুর রহমান : তিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান চেয়ারম্যান। তার বাবা বীরমুক্তিযোদ্ধা মরহুম আবু বকর সিদ্দীক একাধিক বার দীর্ঘদিন সুনামের সাথে ইউপি চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেছিলেন। চেয়ারম্যান সাকিল ২০০৩ সাল থেকে অদ্যাবধি পর্যন্ত শ্রীউলা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি ইউনিয়নের প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত বেড়িবাঁধ সংস্কারসহ নানামুখী উন্নয়নমূলক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের নেতৃত্ব প্রদান করে আসছেন। উপকূলীয় ওয়াপদার বেড়িবাঁধ রক্ষার্থে তিনি সরকারি ও ব্যক্তিগত উদ্যোগে সামাজিক বনায়ন কর্মসূচি অব্যহত রেখেছেন। কোভিট-১৯ মহামারি চলাকালীন তার ভূমিকা ছিল দৃষ্টান্তমূলক। ভাইরাস মোকাবেলায় সবাইকে স্বাস্থ্য সচেতন করা, বিদেশ ও বিভিন্ন জেলা থেকে আসা ব্যক্তিদের হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিতকরণ, তাদের খাবারের ব্যবস্থাসহ নানা ভূমিকা পালন করে সুনাম কুড়িয়েছেন। বিগত প্রলয়ংকরী ঝড় আম্ফানে প্লাবিত হয়ে তার ইউনিয়নের প্রায় ৩০ কি.মি. কাঁচা-পাকা রাস্তা, ইটের সোলিং, কার্পেটিং ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে যা এখনও সংস্কারাধীন রয়েছে। ঘূর্ণিঝড় আম্পান পরবর্তী ইউনিয়ন বাসীকে বাঁচাতে তিনি উদ্যোগ নিয়ে বিকল্প রিং বাঁধের ব্যবস্থা করেছিলেন। তিনি বিভিন্ন কাজের সাফল্যের স্বীকৃতি স্বরুপ সরকারি/বে-সরকারি পর্যায়ে আনুমানিক ৫০ টির বেশি পদক পেয়েছেন। আগামীতে তিনি নির্বাচিত হতে পারলে ইউনিয়ন পরিষদের স্থায়ী ভবন নির্মাণসহ ইউনিয়নের সকল অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত করা, প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা ও গৃহীত কার্যক্রম মাথায় নিয়ে ইউনিয়নকে ঢেলে সাজাবেন বলে ভোটারদের কাছে ইতিমধ্যে তিনি প্রতিশ্রæতি দিয়েছেন। ইতিমধ্যে তার সমর্থকরা তাকে মনোনয়ন দৌড়ে অনেকটাই এগিয়ে রেখেছেন।

এম.এ. নূর মোহাম্মাদ সরদার : তিনি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান। বর্ষীয়ান এ নেতা ১৯৭৭ সাল থেকে অদ্যাবধি পর্যন্ত ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসাবে দ্বায়িত্ব পালন করে চলেছেন। ১৯৭৬ সাল থেকে চলতি বছর পর্যন্ত তিনি নিজ বাসভবনে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাৎ বার্ষিকীতে তার রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া ও গণভোজ দিয়ে আসছেন। এছাড়াও তিনি ১৯৯৮ সাল থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত চেয়ারম্যানের দ্বায়িত্ব পালন করেছেন। দায়িত্ব পালনকালে তিনি কমিউনিটি ক্লিনিক, ব্রিজ-কালভার্ট, ইটের সোলিং ও কার্পেটিং, গভীর নলক‚প স্থাপন, বেড়ীবাঁধ নতুন রুপে সংস্কারসহ বিভিন্ন উন্নয়ন করেছিলেন। আগামীতে তিনি নির্বাচিত হতে পারলে ইউনিয়নে টেকসই বেড়ীবাঁধ নির্মাণ, খাল ও নদী খনন, মাদক নির্মূল করাসহ ইউনিয়নের সামগ্রিক উন্নয়নে কাজ করবেন বলে ইতিমধ্যে তিনি ঘোষনা দিয়েছেন।

প্রভাষক দীপংকর বাছাড় (দীপু) : তিনি উপজেলা কৃষকলীগের সহ-সভাপতি ও আশাশুনি মহিলা কলেজের প্রভাষক। তার বাবা প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক স্বর্গীয় কার্তিক চন্দ্র বাছাড়ের আদর্শকে ধারণ করে গতবার তিনি ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করে সামান্য ব্যবধানে পরাজিত হয়েছিলেন। এবারও তিনি নির্বাচন করার লক্ষে মাঠে কাজ করছেন। ভোটারদের মন জয় করার জন্য ইতিমধ্যে তিনি মতবিনিময় সভা, উঠান বৈঠাক ও গণসংযোগ অব্যাহত রেখেছেন। তিনি ছাত্রজীবন থেকে ছাত্রলীগ করার মাধ্যমে রাজনীতি শুরু করেন। তিনি বিভিন্ন ক্লাবসহ সামাজিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে পদে থেকে দায়িত্ব পালন করছেন। ইতিমধ্যে তিনি ইউনিয়নে অসহায় ও বানভাসীদের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেছেন। বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে অনুদান প্রদান করেছেন, ক্ষতিগ্রস্থ বেঁড়ীবাধ নির্মাণে জনগণকে সাথে নিয়ে তিনি কাজ করেছেন। আগামীতে তিনি নির্বাচিত হতে পারলে ইউনিয়নে মাদক নির্মূল, সুপেয় পানির ব্যবস্থা, জলবদ্ধতা নিরসন, পরিষদের সেবা সুুষম বন্টন করা, রাস্তাঘাট ও খেলার মাঠ সংস্কার করা, বেঁড়ীবাধ ভাঙন রোধে ব্যবস্থা গ্রহণ সহ ইউনিয়নের সামগ্রিক উন্নয়নে কাজ করবেন বলে ঘোষনা দিয়েছেন।

মনিরুল কবির মোল্যা : আওয়ামী লীগ নেতা মনিরুল কবির মোল্যা ক্লিন ইমেজের নেতা হিসাবে ইতোমধ্যে ইউনিয়নে পরিচিতি লাভ করেছেন। ছাত্রজীবন থেকে অদ্যাবধি পর্যন্ত তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভ্রাতুষপুত্র শেখ সোহেল এর সাথে খুলনায় থেকে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনসহ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামে সক্রিয় অংশগ্রহণ করে চলেছেন। তিনি ছিলেন একজন কৃতি ফুটবলার তাই বিভিন্ন ক্লাবসহ সামাজিক প্রতিষ্ঠানে পদে থেকে দায়িত্ব পালন করেছেন। ইতোমধ্যে তিনি ইউনিয়নে গভীর নলক‚প স্থাপন, করোনকালীন সময়ে অসহায় হতদরিদ্রদের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ, স্বেচ্ছাশ্রমে ভেড়ী বাঁধ নির্মাণ কাজে সহযোগিতাসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ করেছেন। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নির্বাচিত হতে পারলে তিনি ইউনিয়নের রাস্তাঘাট সংস্কার করার মাধ্যমে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন করা, স্থায়ী টেঁকসই বেড়ি বাঁধ নির্মাণের সহায়তা করা, ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করা, মাদক ও সন্ত্রাস নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখা, ইউনিয়নের যুব সমাজের কর্ম সৃজন করা, এলাকার প্রধান আয়ের উৎস চিংড়ি চাষকে চোর দস্যুদের হাত থেকে নিরাপদে পরিচালনার ব্যবস্থা করা, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড বৃদ্ধি করা, প্রকৃত ভূমিহীনদের খাস জমি প্রদানে সহযোগিতা করা, দালাল মুক্ত ইউনিয়ন পরিষদ গঠন করা, সুবিধামত স্থানে স্থায়ী ইউপি ভবন নির্মাণ করা, কৃত্রিম জলাবদ্ধতা নিরসন করা, ইভটিজিং ও বাল্যবিবাহ বন্ধ করা, পরিষদের মেম্বরদের অধিকার নিশ্চিত করাসহ জাতির জনকের লালিত স্বপ্ন ক্ষুধা ও দারিদ্র মুক্ত বাংলাদেশ বিনির্মাণে জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার লক্ষে তার নির্দেশনা ও গৃহীত কার্যক্রম মাথায় নিয়ে ইউনিয়নকে ঢেলে সাজাবেন বলে ইতিমধ্যে বিভিন্ন মতবিনিময় সভায় তিনি ঘোষনা দিয়েছেন। এসব দিক বিবেচনায় নিয়ে জননেত্রী শেখ হাসিনা তাকে মনোনয়ন দিবেন বলে তার কর্মী ও সমর্থকরা দাবী করছেন।

ময়নুল ইসলাম (বুলু) : তিনি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। দীর্ঘ ৩৫ বছরের কষ্ট, পরিশ্রম, ত্যাগ, নিষ্ঠা, সততা দলের প্রতি আনুগত্য ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রতি পূর্ণ আস্থা ও সম্মানের স্বীকৃতি স্বরূপ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনের জন্য ভোটারদের দোয়া ও সমর্থন এবং দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার জন্য ইতিমধ্যে কাজ করে যাচ্ছেন।
আলাউদ্দীন লাকী : যুবলীগ নেতা আলাউদ্দীন লাকী ইতিমধ্যে নির্বাচন করার লক্ষ্য নিয়ে শ্রীউলা ফুটবল মাঠ সংস্কার, নিজস্ব অর্থায়নে বিভিন্ন ক্ষতিগ্রস্থ রাস্তা সংস্কার, মসজিদ মন্দিরসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সহযোগিতা করে যাচ্ছেন। নির্বাচিত হতে পারলে তিনি পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা, ইউনিয়ন পরিষদ ভবন নির্মাণ, রাস্তাঘাট সংস্কারসহ ইউনিয়নকে ঢেলে সাজাবেন বলে বিভিন্ন উঠান বৈঠকে ঘোষনা দিয়েছেন।

নির্বাচন নিয়ে ভোটারদের সাথে কথা বলে জানাগেছে, আসন্ন ইউপি নির্বাচনের লক্ষ্যে মাঠে যে সকল প্রার্থীরা কাজ করছেন তাদের সবাই আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী। অনেকেই নৌকা প্রতীকে ভর করেই নির্বাচনি তরী পার করবেন বলে চেষ্টা তদবীর চালিয়ে যাচ্ছেন। কয়েকজন প্রার্থী সরাসরি বলছেন যে, দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার জন্যই সে চেষ্টা করছেন, মনোনয়ন না পেলে শেষ পর্যন্ত মাঠে থাকবেন না।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ভোটাররা আরও জানান, আওয়ামী লীগের যে কয়জন সম্ভাব্য প্রার্থী মাঠে রয়েছেন তাদের দু’একজন দলীয় মনোনয়ন না পেলে যেই পাক না কেন তিনি/তারা নির্বাচনি মাঠে থাকবেন। বিগত দিনের বিদ্রোহী প্রার্থীরা যদি আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত হন তাহলে একাধিক নেতাকে হয় বসে যেতে হবে না হলে আবারও বিদ্রোহী হিসাবে নির্বাচন করতে হবে। আর ‘ওদের না দিলে আমরা পাব’ এই সুযোগটা নেয়ার জন্য আরও দু’একজন নির্বাচনি মাঠে নেমেছেন। এখন দেখার বিষয় শেষ পর্যন্ত নির্বাচনি মাঠে কে কে থাকেন। তবে আওয়ামী লীগের সমর্থক ও ভোটাররা সৎ ও ক্লিন ইমেজের প্রার্থীকেই দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হবে এমনটা প্রত্যাশা করছেন।
রা সৎ ও ক্লিন ইমেজের প্রার্থীকেই দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হবে এমনটা প্রত্যাশা করছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *