ঢাকাThursday , 4 November 2021
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

চাচার দায়েরকৃত মামলায় ভাইপো জেল হাজতে

বিশেষ প্রতিনিধি ঢাকা
আপডেট: 4 November 2021, 23:32

নিজস্ব প্রতিনিধি: জমির ছয় লাখ হারির টাকা না দেওয়ায় চাচার দায়েরকৃত মামলায় জেল খাটছেন ভাতিজা সুমালেশ মÐল। আপোষের শর্তে জামিন না নিয়ে ৪ নভেম্বর রবিবার সাতক্ষীরার বিচারিক হাকিম বিলাস কুমার মন্ডল তার জামিন বাতিল করে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
আসামী সুমালেশ মন্ডল সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ উপজেলার চম্পাফুল ইউনিয়নের চাঁদখালি গ্রামের পরান মÐলের ছেলে।

চাঁদখালি গ্রামের মৃত কেশব চন্দ্র মÐলের ছেলে ও উজিরপুর বাজারের ব্যবসায়ি আশুতোষ মÐল জানান, তার বড় ভাই পরান মÐলের ছেলে সুমালেশ মÐল (৪৬) তার ২৫ বিঘা জমিতে মাছ চাষ করার জন্য বিঘা প্রতি ১২ হাজার টাকা চুক্তিতে অগ্রিম টাকা পরিশোধ করে ২০১৭ সালের পহেলা জানুয়ারি থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত চুক্তিবদ্ধ হন। ২০১৭ সাল ও ২০১৮ সাল পর্যন্ত আংশিক হারির টাকা ও ২০১৯ সালের বাবদ তিন লাখ টাকা না দেওয়ায় তিনি টাকা পরিশোধের জন্য ভাইপোকে বারবার তাগিদ দেন। এরপরও সে গায়ের জোরে মাছ চাষ অব্যহত রেখে জমি ছেড়ে না দেওয়ার হুমকি দেয় সুমালেশ। বিষয়টি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জানালে ২০১৯ সালের ২৯ জানুয়ারি সুমালেশ তাকে ও তার ছেলে কিশোর কুমার মÐলের বিরুদ্ধে কালীগঞ্জ থানায় মিথ্যা একটি মামলা (১০নং) দিয়ে তাদেরকে বাড়ি ছাড়া করে।

একপর্যায়ে সে জমি দখলে রেখে মাছ চাষ করায় গত বছরের ৩০ জুন টাকা চাইতে গেলে তাকে আবারো বাড়ি থেকে হেঁকে বের করে দেওয়া হয়। বাধ্য হয়ে তিনি গত বছরের ৩১ আগষ্ট সুমালেশ এর বিরুদ্ধে সাতক্ষীরার আমলী আদালত-২ এ মামলা দায়ের করেন। বিচারক তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য চম্পাফুল ইউপি চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক গাইনকে নির্দেশ দেয়। গত বছরের ২০ ডিসেম্বর অভিযোগের স্বপক্ষে সত্যতা পেয়ে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন ইউপি চেয়ারম্যান। আদালত সুমালেশ এর বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ এনে ৪২০/৪০৬ ধারায় সমন জারির (সিআর-২৫০/২০ কালী) নির্দেশ দেন। চলতি বছরের ১৮ মার্চ সুমালেশ টাকা পরিশোধ করার শর্তে আদালত থেকে জামিনে মুক্তি পান। এরপর সে টাকা পরিশোধ না করায় আদালত সুমালেশকে তার ওয়ার্ডের ইউপি সদস্যসহ গণ্যমান্য ব্যক্তি ও মামলার উভয়পক্ষের উপস্থিতিতে আপোষনামা করে ২১ অক্টোবর আদালতে হাজির করানোর নির্দেশ দেন সুমালেশকে।

সুমালেশ বর্তমান ইউপি সদস্যকে বাদ দিয়ে সাবেক এক ইউপি সদস্য কার্তিক দাস এর মাধ্যমে এক মনগড়া আপোষনামা করে আদালতে উপস্থাপন করে। বাদি পক্ষের আইনজীবী এতে আপত্তি করায় আদালত তাকে আবারো যথাযথ আপোষনামা জমা দিতে বলেন। আপোষনামা জমা দিতে ব্যর্থ হওয়ায় ও চলমান সময় পর্যন্ত বকেয়া ১০ লাখ টাকা পরিশোধের ব্যাপারে যথাযথ উত্তর না পাওয়ায় গত রবিবার সাতক্ষীরার বিচারিক হাকিম বিলাস কুমার মÐল তার জামিন বাতিল করে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *