ঢাকাWednesday , 3 October 2018
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

মৎস্য ঘের ও সবজির ব্যাপক ক্ষতি

admin ঢাকা
আপডেট: 3 October 2018, 22:12

গাজী আব্দুল কুদ্দুস, চুকনগর (খুলনা): চুকনগরে সøুইস গেটের কপাট তুলে অবৈধভাবে পানি উত্তোলন করার কারণে মৎস্য ঘের ও সবজির ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকার ভুক্তভোগী কৃষকদের পক্ষ থেকে ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট লিখিত অভিযোগ সূত্রে এই তথ্য পাওয়া গেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, ডুমুরিয়া উপজেলার ৫নং আটলিয়া ইউনিয়নের ৩নং কুলবাড়িয়া-বরাতিয়া মৌজাধীন ১৭/২ পোল্ডার ওয়াপদা বাধের উপরে (ভায়নার বিল) ৫নং সøুইস গেঁটটি অবস্থিত।
গত ৩০ সেপ্টেম্বর দুপুর ২টার দিকে রাজবাড়ি বরাতিয়া গ্রামের খান জাহান আলী, নজরুল ইসলাম, ছলেমান শেখ, বিল্লাল হোসেন, মতিয়ার রহমানসহ আরও কয়েকজন হঠাৎ করেই জোয়ারের সময় গেটের কপাট তুলে দেয়। এতে জোয়ারের পানি হু হু করে ভায়নার বিলে প্রবেশ করে। উক্ত বিলে শতাধিক মৎস্য ঘের রয়েছে। জোয়ারের পানিতে ঘণ্টা খানেকের মধ্যে ঘেরগুলোর বেড়িবাঁধ উপচে পড়ে। এছাড়া উঠতি মৌসুমি ফসলের ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়েছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, কুলবড়িয়া গ্রামের আকাম আলী শেখ, সালাম শেখ, জোনাব আলী সরদার, বখতিয়ার শেখ, শফিকুল ইসলাম, হাশেম আলী সরদার, গফফার শেখ, শাহাদাৎ মোড়ল, মোকছেদ শেখ, মান্নান সরদার, আবু সাঈদ, সোহেল শেখসহ আরও অনেক কৃষকের ক্ষেতের বেগুণ, ফুলকপি, সিম, বরবটি, মরিচসহ বিভিন্ন ধরনের সবজির ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়েছে।
জোনাব আলী সরদার ও হাশেম আলী সরদারের মৎস্য ঘের জোয়ারের পানিতে ভেসে যাওয়ায় পানির সাথে ব্যাপক মাছ বেরিয়ে গেছে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে মিমাংসা করতে ব্যর্থ হয়ে গত ০২ অক্টোবর জোনাব আলী সরদার ও হাশেম আলী সরদার ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট লিখিত অভিযোগ করেন। নির্বাহী অফিসার সরেজমিনে দ্রæত তদন্ত সাপেক্ষে প্রতিবেদন দাখিলে জন্যে আটলিয়া ইউপি চেয়ারম্যানকে নির্দেশ দিয়েছেন।
বুধবার (৩ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে ইউপি চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট প্রতাপ কুমার রায় সরেজমিনে গিয়ে বিষয়টির তদন্ত করেন। এ ব্যাপারে অভিযুক্ত বিল্লাল হোসেনের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, এবছর বৃষ্টি কম হওয়ার কারণে আমাদের আমন ধানের ক্ষেত ফেটে যায়। ধান বাঁচানোর জন্যে আমরা গেটের কপাট তুলে পানি উত্তোলন করেছি। তবে ভুক্তভোগীদের এত বেশি ক্ষতি সেটা আগে বুঝতে পারিনি। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছা. শাহনাজ বেগমের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, একটি অভিযোগ পেয়েছি। আটলিয়া ইউপি চেয়ারম্যানকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছি। তদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।
ইউপি চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট প্রতাপ কুমার রায় বলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট থেকে নির্দেশ পেয়ে সরেজমিন তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। সঠিক তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদন দাখিল করব।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *