ঢাকাSunday , 10 October 2021
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

দুর্গাপূজার আমেজ নেই নদী ভাঙনে বিধ্বস্ত আশাশুনির প্রতাপনগরে

বিশেষ প্রতিনিধি ঢাকা
আপডেট: 10 October 2021, 23:12

নিজস্ব প্রতিনিধি : সারাদেশের হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা যখন দুর্গা পূজার আনন্দঘন মুহুর্ত পার করছেন তখন নদী ভাঙনে বিধ্বস্ত আশাশুনির প্রতাপনগরে দুর্গোৎসবের আমেজ নেই বললেই চলে। প্রতাপনগরের কর্মকার বাড়ি এলাকায় অবস্থিত ইউনিয়নের প্রধান সার্বজনীন পূজা মন্দিরে প্রতিমা নির্মাণ করা হলেও নতুন করে প্লাবিত হওয়ার কারণে বাহ্যিক কোনো আয়োজন চোখে পড়েনি। মন্দিরে নিয়ম রক্ষার্থে এবার শুধু পুরোহিত পূজা করবেন বলে জানিয়েছেন কর্তৃপক্ষ।

২০২০ সালে ঘূর্ণিঝড় আম্পানের তান্ডবে প্রতাপনগর এলাকা লবণ পানিতে বন্দি থাকায় গেল বছরও প্রতাপনগরের ওই মন্দিরে প্রতিমা পূজা সম্ভব না হলে ঘট স্থাপন করে পূজা সম্পন্ন করা হয়েছিল। এবার দুর্গোৎসব পালনের লক্ষ্যে কাজ শুরু করেছিল মন্দির কর্তৃপক্ষ। কারিগর এনে প্রতিমা তৈরিসহ মন্দিরের শোভা বর্ধনে বিভিন্ন কাজ হাতে নিয়েছিলেন পূজা কমিটি। সম্প্রতি প্রতাপনগরের পশ্চিম অংশে হাওলাদার বাড়ির সংলগ্ন রিং বাঁধ ভেঙে আবারো লোকালয়ে লবণ পানি প্রবেশ করে। এতে মন্দির সহ গোটা এলাকা কোমর পানিতে তলিয়ে যায়। ফলে নির্মাণাধীন প্রতিমা ক্ষতিগ্রস্ত না হলেও প্রায় ৫৫ হাজার টাকার কাজ ভেস্তে গিয়ে স্থবির হয়ে পড়েছে সব আয়োজন।

স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা অমিয় সোম জানান, পানি আটকানোর মতো একটা বাঁধের অভাবে প্রতাপনগরে জীবন জীবিকার পাশাপাশি এখন ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠানও বিঘিœত হচ্ছে।
চিত্তরঞ্জন সোম বলেন, প্লাবনের কারণে শুধু যে হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা পূজা উদযাপন করতে পারছে না তা নয়। মন্দির থেকে প্রায় ৪৫০ মিটার দক্ষিনে একটি মসজিদ নদীগর্ভে বিলীন হওয়ায় এখানকার মুসলিমরাও সঠিকভাবে প্রার্থনা করতে পারছে না।

কর্মকার বাড়ি পূজা কমিটির সভাপতি অমিত সোম জানান, পূজার সব ধরনের প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন হওয়ার পথে ছিল। প্রতিমা নির্মাণও শেষ। তবে গত পূর্ণিমার জোয়ারে রিং বাঁধ ভেঙে মন্দির চত্বরে পানি ঢুকে পূজার আনন্দটাই মাটি হয়েগেছে। ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে একটাই দাবি প্রতাপনগরে সকল ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধ টেঁকসইভাবে পুনঃনির্মাণ করে আমাদের বেঁচে থাকার সুযোগ করে দিন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *