ঢাকাMonday , 4 October 2021
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

খাজরায় সংকটে সরকারী খাল ও নদী

বিশেষ প্রতিনিধি ঢাকা
আপডেট: 4 October 2021, 22:50

নুরুল ইসলাম, খাজরা (আশাশুনি) প্রতিনিধি: আশাশুনির খাজরা ইউনিয়নের ১টি বদ্ধ নদী ও ১০টি সরকারি খাল অবৈধ দখল আর দূষণের কবলে পড়ে অস্তিত্য সংকটে পড়েছে। হারিয়ে যেতে বসেছে খালগুলোর প্রকৃত সীমানা। বর্তমান পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছিয়েছে যে,কোনটি খাল আর কোনটি জমি বুঝার উপায় নেই।

সোমবার( ৪অক্টোবর) ইউনিয়নের খালিয়া বিল,চেউটিয়া নদী,পবনের খাল গুলো ঘুরে দেখা যায়,ইউনিয়নে পানি নিঃষ্কাশন ব্যবস্থা,কৃষকদের ফসল উৎপাদনের পানির ব্যবহারসহ নানাবিধ কাজে ব্যবহৃত সরকারি ১টি বদ্ধ নদী ও ১০টি খাল অবৈধ দখল আর দূষণের কবলে পড়ে অস্তিত্য হারাতে বসেছে। বিলের মধ্যে সরকারি খালগুলো মালিকানাভুক্ত জমির মাথায় যে যার মত ভরাট করে জমিতে পরিণত করেছে।

আবার অনেকে নদীর কিনারায় অবৈধ দখল করে গড়ে তুলেছেন আধা পাকা,কাঠের দোকানপাট,বসতবাড়িসহ বিভিন্ন স্থাপনা। একাধিক খালে আড়াআড়ি বাধ দিয়ে মৎস্য ঘের করা হয়েছে। ফলে বর্ষা মৌসুমে পানি সরবরাহে মারাত্মক ক্ষতি সাধন হচ্ছে। খালগুলোর সীমানা নির্ধারণ করে পুনঃ খনন করা গেলে এ অঞ্চলের কৃষকরা এক ফসলি জমি থেকে একাধিক ফসল উৎপাদন করতে পারবে বলে একাধিক কৃষক জানান। বোরো মৌসুমে কৃষকরা খালের মিঠা পানি ব্যবহার করে আরো বেশি ধান উৎপাদন করতে পারবে।

খাজরা ইউনিয়ন ভূমি অফিস সূত্রে জানা যায়,ইউনিয়নে ৬কিঃমিঃ দৈর্ঘ্য ও ৩শ ফুট প্রস্থের চেউটিয়া বদ্ধ নদী, সুরের খাল ৩.৮৩ একর,তালতলা খাল ৩.৫১ একর, দেয়াবর্ষিয়া খাল ৪.৩৫ একর,কাটাখালী খাল ৩.৭৩ একর,সুরের খাল ৩.৮৩ একর,হরিমদনের খাল ১৭.০০ একর,বসুখালী খাল ১০.৩০ একর,পবনার খাল ৬.২১ একর,তুয়াডাঙ্গা জলমহাল ২১.৫০ একর,কাঠামারী খাল ১.৩৫ একর। চেউটিয়া নদীসহ কিছু খাল সরকারি ইজারার মাধ্যমে মৎস্যজীবিরা মৎস্য চাষ করে আসছে। উন্মুক্ত খালগুলোর অবস্থা শোচনীয় পর্যায়ে আছে।

এ খালগুলোর মধ্যে কাটাখালী খাল দূর্গাপুর,গোয়ালডাঙ্গা ও পিরোজপুর,সুরের খাল তেলিখালী,হেতাইলখালী,পবনার খাল খালিয়া বিলে অবস্থিত। খালগুলো প্রায় অবৈধ বিভিন্ন ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর দখলে। বিলের মধ্যে খালগুলো এখন নেই বললেই চলে।

সরকারি এ খালগুলো পুনরায় উদ্ধার পূর্বক খনন করে উন্মুক্ত রাখা গেলে এলাকায় মাছ তথা আমিষের চাহিদা পূরন হবে। অন্য দিকে খালের মিঠা পানি ব্যবহার করে কৃষকরা নানাবিধ ফসল ফলাতে পারবে।
খালগুলো উদ্ধার পূর্বক খনন করার জন্য আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী অফিসার,সহকারী কমিশনার(ভূমি),সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মহোদয়ের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন সচেতন কৃষক সমাজ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *