ঢাকাFriday , 1 October 2021
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

বুধহাটায় এজেন্ট ব্যাংকের পরিচালক মেসবাউল কারাগারে

বিশেষ প্রতিনিধি ঢাকা
আপডেট: 1 October 2021, 23:11

আশাশুনি প্রতিনিধি ঃ আশাশুনির বুধহাটা বাজারে অবস্থিত ইসলামী ব্যাংক লিঃ এজেন্ট ব্যাংকিং শাখার পরিচালক একাধিক নারী কেলেঙ্কারির অভিযোগে অভিযুক্ত মেসবাউল আলম কারাগারে গেলেও বাদী পক্ষ তার নানা কৌশলে স্বস্তিতে থাকতে পারছেন না।
মামলা সূত্র ও বাদী পক্ষ জানান, উপজেলার প্রতাপনগরের আঃ মজিদের পুত্র মেজবাউল আলম বুধহাটাসহ বিভিন্ন স্থানে ইসলামী ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং শাখা স্থাপন করে শাখায় চাকুরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে অনেকের কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা নিয়েছেন। এবং মহিলাদের চাকুরি দেওয়ার সুবাদে অনেকের সাথে কাছাকাছি যাওয়া ও বিবাহের প্রতিশ্রæতি দিয়ে ফুসলিয়ে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনে বাধ্য করা ও পরে বিয়ের ভুয়া কাগজপত্র সৃষ্টি করে প্রতারণার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

বুধহাটা শাখায় এমনই সুযোগের পথ বেছে নেন তিনি। তার স্ত্রী সন্তান থাকার কথা গোপন করে মালেক ঢালীর কন্যার সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন এবং বিবাহের প্রতিশ্রæতিতে তাকে খুলনায় নিয়ে কিছু কাগজপত্রে স্বাক্ষর করিয়ে নিয়ে বিবাহের নাটক করেন। এ ব্যাপারে প্রতারিত মালেকের কন্যা আদালতে মামলা রুজু করলে আদালত ২৩/৯/২১ তাং মেজবাউলকে কারাগারে প্রেরণ করেন।
এমনই প্রতারিত শোভনালী ইউনিয়নের খলিসানী গ্রামের আঃ মজিদ পাড়ের কন্যা উক্ত মেসবাউল কর্তৃক বিবাহের প্রলোভনে বাসায় নিয়ে ইচ্ছার বিরুদ্ধে মেলামেশা করা, কথিত ভলিয়ম বইতে স্বাক্ষর করিয়ে বিয়ের নাটক করে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করা এবং পরবর্তীতে হুমকি ধামকীসহ নানা অভিযোগে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে পি-৩২৬/২১ মামলা রুজু করেছেন।

আঃ মালেক ও তার কন্যা জানান, মেসবাউলের বিরুদ্ধে মামলার খবর জানতে পেরে বিভিন্ন ভাবে মামলা থেকে রক্ষা পেতে তদবির শুরু করেন মেসবাহ। তাতে কাজ না হওয়ায় তিনি (মেসবাহ) বাদী হয়ে আঃ মালেক ও তার কন্যার বিরুদ্ধে সিআর ২০১/২১ ও ২০২/২১ নং দু’টি মামলা রুজু করেন। যাতে মিথ্যা ও কাল্পনিক অভিযোগ আনা হয়েছে। বিজ্ঞ আদালত অভিযোগ তদন্তের জন্য পিআইবি এর উপর দায়িত্ব দিয়েছেন। এতেও সে তৃপ্ত হতে না পেরে থানায় একটি অভিযোগও করেন। তাদের দাবী, সঠিক তদন্ত হলে প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসবে। এ ব্যাপারে এলাকার মানুষ ও গ্রাহকদের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হতে শুরু করেছে। স্ত্রী ও সন্তান থাকা স্বত্তে¡ও তা গোপন করে একাধিক নারীর সাথে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে সম্পর্ক স্থাপন, ভ‚য়া কাগজে স্বাক্ষর করিয়ে নিয়ে প্রতারণার ঘটনা অস্বত্তিকর। তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সুষ্ঠু তদন্ত পূর্বক কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য এলাকাবাসী ও গ্রাহকরা দাবী জানিয়েছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *