জাল কাগজে কুকরালী বিলের জমি দখল ও বিক্রির চেষ্টায় আদালতে মামলা
নিজস্ব প্রতিনিধি; সাতক্ষীরায় থেমে নেই ভূমি দস্যু জহিরুল ইসলাম ওরফে তাজ দিগররা। ভুয়া ও জাল জালিয়াতির মাধ্যমে ২ একর ১৭ শতাংশ জমি দখলে নেয়াসহ অন্যাত্র বিক্রির জন্য তারা মরিয়া হয়ে পড়েছে। এদিকে প্রকৃত জমির মালিকদের দাবি চাঁদাবাজ জহিরুল ইসলাম তাজ গংদের একের পর এক ষড়যন্ত্রে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন তারা।
তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে, সাতক্ষীরা সদর থানার রামদেবপুর মৌজায় কুকরালী বিলে কাটিয়া এলাকার মৃত নিয়ামুদ্দীন এর চার সন্তান মো: নজরুল ইসলাম, মো: শহিদুল ইসলাম, মোছা; ফাতেমা খাতুন ও মাসুমা ইয়াসমিন পৈতৃক সূত্রে দুই একর ১৭ শতক জমি প্রাপ্ত হন। নিয়মানুযায়ী জমির মালিকরা উক্ত জমিতে অদ্যবদি পর্যন্ত শান্তিপূর্নভাবে বৈধভাবে ভোগ দখলে আছেন। এরই মধ্যে উক্ত জমির উপর লোলুপ দৃষ্টি পড়ে সদর থানার বৈচনা গ্রামের জেএম আব্দুর রহিম, মিয়াসাহেবেরডাঙ্গার আ: সাত্তার, বাটকেখালী গ্রামের মো: হোসেন আলী, দেবহাটা থানার জহিরুল ইসলাম তাজ, মো: কবিরুল ইসলাম, মো: ফরিদুল ইসলামসহ চাঁদাবাজ দুর্বৃত্তদের।
তারা যোগসাজশে ৩০ লাখ টাকা চাঁদা দাবিতে ওই জমিটি দখল করতে মরিয়া হয়ে পড়ে।
জমির বৈধ অংশীদার নজরুল ইসলাম জানান, তাদের চাঁদার টাকা দিতে অস্বীকার করায় উল্লেখিত ব্যক্তিরা জমির ভূয়া কাগজপত্র তৈরী করে মালিকানা দাবি করে। এমতাবস্থায় ভূমি দস্যুদের ওই ভূয়া কাগজের বিরুদ্ধে দেবহাটা সহকারী জজ আদলতে দেওয়ানী কার্যবিধি আইনের ৪১ আদেশে ৫ বিধি ও ১৫১ ধারার বিধান মতে অভিযোগ দাখিল করে ন্যায় বিচার প্রার্থনা করেন।
দাখিলী দরখাস্ত পর্যালোচনা শেষে গত ০৬/১০/২০২০ তরিখে সাতক্ষীরা সিনিয়র সহকারী জজ স্বাক্ষরিত এক আদেশে জমি দখলকারী ব্যক্তিদের কাজগপত্রসহ তাদের পক্ষের রায় স্থগিত করেন।
অন্যদিকে জমি জবর দখল চেস্টাকারীরা জমির প্রকৃত মালিকদের পক্ষের রায় গোপন রেখে ভূয়া কাগজপত্রের বিপরীতে জমির নামজজারি/মিউটেশন করে। সম্প্রতি তারা ওই জমি তাদের দাবি করে অন্যাত্র বিক্রি করার চেষ্টায় লিপ্ত আছে। বাধা দেয়ায় জহিরুল ইসলাম তাজ দিং নজরুল ইসলামসহ চার ভাইবোনদের নানা ধরনের হুমকি প্রদন অব্যহত রেখেছে। এবিষয়ে জানতে চাইলে জহিরুল ইসলাম তাজসহ তাদের পক্ষের লোক জন আদালতে মামলা আছে বলে মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।

Leave a Reply