ঢাকাSaturday , 28 August 2021
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

আশাশুনির খালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণে ধীর গতি

বিশেষ প্রতিনিধি ঢাকা
আপডেট: 28 August 2021, 22:35

নিজস্ব প্রতিনিধি : আশাশুনির ৫৮ নং খালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণে ধীর গতির অভিযোগ উঠেছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান আনুষ্ঠানিকভাবে ভবনটির কাজ শুরু করে ২০২০ সালের ফেব্রæয়ারি মাসে। কাজ শুরু হওয়ার পর আজ পর্যন্ত বিল্ডিংয়ের নীচে বালু ভরাট ছাড়া আর কিছুই করা হয়নি। ফলে নির্ধারিত সময় কাজ শেষ হবে কিনা ভেবে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন ছাত্র-ছাত্রী অভিভাবক এবং শিক্ষকরা।

৫৮ খালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মেহেদী হাসান জানান, স্কুলের মূল ভবনটি বিভিন্ন অংশ ভেঙে পড়ায় ২০১১ সালের পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়। এরপর অতি কষ্টে গোলপাতা দিয়ে ঘর নির্মাণ করে কোন রকমে চালানো হয় স্কুলের কার্যক্রম। এরপর সেটিও ভেঙে গেলে শিক্ষা অফিসের মাধ্যমে ১টি সেমি পাকা টিনের ছাউনি যুক্ত তিন রুম বিশিষ্ট শ্রেণি কক্ষ নির্মাণ করা হয়। স্কুলের নতুন ভবন দাবি করে বিভিন্ন দপ্তরে আবেদনের পর এলজিআরডি দপ্তর থেকে ৭৫ লক্ষ ৪৬ হাজার টাকায় ৪তলা ফাউন্ডেশন এর একতলা ভবন নির্মাণের জন্য বরাদ্দ পায় সেকেন্দার এন্টারপ্রাইজ, শ্যামনগর স্বত্বাধিকারী মুকুল হোসেন।

২০২০ সালের ফেব্রæয়ারি মাসে কাজ শুরু হলেও দীর্ঘ দেড় বছর অতিক্রম হওয়ার পর শুধুমাত্র ভবন নির্মাণের জন্য মাটির নীচে বালু দ্বারা ভরাট ছাড়া অন্য কোন দৃশ্যমান কাজ আজও হয়নি। এমনকি বিল্ডিং নির্মাণে সরকারি প্রকল্প ব্যয় সম্বলিত সাধারণ জনগণের দেখার জন্য কোন সাইনবোর্ড স্থাপন হয়নি। এ দিকে দীর্ঘ দিন বিল্ডিং এর কাজে ব্যবহৃত রড, বালি, অতি অবহেলায় বৃষ্টির পানির মধ্যে পড়ে আছে। রড গুলো মরিচা ধরার অবস্থা। ফলে এই রড দিয়ে কাজ করলে বিল্ডিং টিকবে কিনা তারও সংশয় দেখা দিয়েছে।

অভিভাবক সদস্য সাইফুল ইসলাম জানান, দীর্ঘদিন স্কুল বন্ধ থাকার পর আবারও স্কুল খোলার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে, কিন্তু ছাত্র-ছাত্রীরা কোথায় পড়বে তাই নিয়ে চিন্তায় আছি।
বিদ্যোৎসাহী সদস্য সাংবাদিক নুরুল ইসলাম জানান, দীর্ঘদিন বিল্ডিং এর কাজটি পড়ে থাকায় বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন করেও কোন ও লাভ হয়নি। দ্রæত বিল্ডিং নির্মাণের দাবি জানাচ্ছি।

তবে মের্সাস সেকেন্দার এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মুকুল হোসেন জানান, কাজটি আমি অন্যের কাছে বিক্রি করিনি। বালু ইতিমধ্যে সেখানে পাঠানো হয়েছে। দুই একদিনের মধ্যে কাজ শুরু করা হবে। দুই থেকে তিন মাসের মধ্যেই এটি শেষ করা হবে বলে তিনি জানান।
এ বিষয়ে আশাশুনি উপজেলা প্রকৌশলী আক্তারুজ্জামান জানান,ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মের্সাস সেকেন্দার এন্টারপ্রাইজ কে বার বার তাগাদা দিচ্ছি। তারা বিভিন্ন ভাবে ওয়াদা করার পরও কাজটি শুরু করছে না। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে চলেছে। তারা যদি দ্রæত কাজ শুরু না করে তাদের লাইসেন্স এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে পূনরায় টেন্ডার দেওয়া হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *