ঢাকাMonday , 23 August 2021
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

সাঁকো ভেঙে খালে পড়ল শিক্ষার্থীরা

বিশেষ প্রতিনিধি ঢাকা
আপডেট: 23 August 2021, 22:34

নুরুল ইসলাম, খাজরা (আশাশুনি) প্রতিনিধি: জরাজীর্ণ বাঁশের সাঁকোয় যেন দুলতে থাকে শিশু শিক্ষার্থীদের জীবন। যথাযত কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টির অভাবে সংস্কার না হওয়ায় খাল পার হতে ভোগান্তিতে পড়তে হয় গ্রামবাসীদেরও। আশাশুনির খাজরা ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের গজুয়াকাটি গ্রামের গজুয়াকাটি সরকারি প্রাইমারী স্কুল সংলগ্ন কালকী টু পাচপোতা সংযোগস্থলে কালকীর খালের উপর নির্মিত এ বাঁশের সাঁকো। গত রবিবার ওই কঙ্কালসার বাঁশের সাঁকো ভেঙে স্কুল শিক্ষার্থীরা খালে পড়েছে। জীবন হানির ঘটনা না ঘটলেও বই খাতা ভিজে ও মৃদু আহত হয়ে বাড়ি ফিরেছে শিক্ষার্থীরা।

প্রতাক্ষদর্শীরা জানায়, গত রবিবার (২২ আগস্ট) সকালে গজুয়াকাটি থেকে পাশ^র্তী বাইনতলা আরসি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও ত্রয়োদশ পল্লী বালিকা বিদ্যালয়ে নিবন্ধন করতে য়ায় শিক্ষার্থীরা। ফেরার পথে জরাজীর্ণ সাঁকো পার হওয়ার সময় ওই পারের মাটি স্পর্শ করার আগেই তারা সাঁকো ভেঙে খালের মধ্যে পড়ে যায়। সাঁকোটি ভেঙে পড়ায় ফলে গজুয়াকাটি টু পাচপোতা,বড়দলগামী এবং বড়দল ইউনিয়ন থেকে গজুয়াকাটিসহ খাজরা ইউনিয়নের যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। চলতি আমন মৌসুমে কৃষকদের ক্ষেতে রোপণকৃত ধানের চারা আনা নেওয়ায় দারুন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এছাড়াও বয়ঃ বৃদ্ধ নারী,পুরুষ ও শিশুদের পারাপারে মারাত্মক সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। অনেকে পা পিছলে পড়েও গিয়েছেন। বর্তমানে বড়দল ইউনিয়ন সীমান্তে মারাত্মক ঝুঁকি অবস্থায় থাকার কারণে পারাপার বন্ধ হয়ে গেছে। দুই ইউনিয়নের সংযোগস্থল হওয়ায় দ্রæত মেরামতসহ স্থায়ী একটি গার্ডার ব্রিজ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

স্থানীয় যুবক রাজিব বৈদ্য জানান,বাঁশের সাঁকো এতই নড়বড়ে যে, সাধারণ মানুষ চলাচলের অনুপুযুক্ত হয়ে পড়েছে। বড়দল ইউনিয়ন থেকে বিদ্যালয়গামী কোমলমতি শিশুরা পড়েছে চরম বিপাকে। বাঁশোর সাঁকোর পরিবর্তে আমরা স্থায়ী একটি কালভার্ট বা ব্রিজ চাই।
এ বিষয়ে খাজরা ইউপি চেয়ারম্যান জানান,বিদ্যালয়গামী শিক্ষার্থী ও সাধারণ জনগণের দুই ইউনিয়নের সেতুবন্ধন এই বাঁশোর সাঁকো দ্রæত মেরামত করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ইতিমধ্যে গ্রাম পুলিশের মাধ্যমে বাঁশের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এছাড়াও আগে কয়েকবার আমার ব্যক্তিগত খরচে সাঁকো মেরামত করেছি।

আশাশুনি উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সোহাগ খান জানান,গজুয়াকাটিতে একটি গার্ডার ব্রিজ নির্মাণের জন্য মাপ জরিপ,প্রি-ওয়ার্ক শেষ করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। করোনার কারণে টেন্ডার প্রক্রিয়া অপেক্ষামান আছে। টেন্ডার শেষ হলে আরেকবার যাচাই বাচাই শেষে কাজ শুরু হবে আশা করি।
স্থানীয় জনসাধারণ দ্রæত বাঁশের সাঁকো মেরামত পূর্বক চলাচল উপযোগী এবং বাঁশের সাকোর পরিবর্তে একটি গার্ডার ব্রিজ নির্মাণের জন্য আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী অফিসার,সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মহেদায়সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *