আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনির বুধহাটা-নৈকাটি সড়কের বেহাল দশায় যানবাহন চলাচল ও জনভোগান্তি চরম আকার ধারণ করেছে। বৃষ্টির পানি ও কাদামাটির ছোটবড় গর্তে পড়ে সড়ক দুর্ঘটনার কবলে পড়ছে এবং যানবাহন চলাচল খুবই ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
সড়কের বেউলা বসাক বাড়ি থেকে নৈকাটি শেষ সিমানা পর্যন্ত কার্পেটিং সড়ক দীর্ঘদিন সংস্কার করা হয়নি। ফলে সড়কের অসংখ্য স্থানে ছোট বড় খাদরে সৃষ্টি হয়েছে। অধিকাংশ স্থানে কার্পেটিং উঠে গেছে।
বিশেষ করে বেউলা বসাক বাড়ির সামনে, বেউলা মায়ের বাড়ির (মন্দির) সামনে, পাইথালি বাজারের আগে ও পরে, এবং হাজিডাঙ্গা মোড় থেকে নৈকাটি সড়কের শেষ প্রান্ত পর্যন্ত সড়কের একাধিক স্থানে গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এমনকি রাস্তার অনেক স্থানে এক/দেড় ফুট গভীরতার সৃষ্টি হয়েছে। এসব স্থানে বর্ষার পানি জমে থাকে। খোয়া-গুড়ো-কর্দমাক্ততায় গর্ত ও আশপাশের অবস্থা খুবই নাজুম হয়ে থাকে। ফলে যানবাহন চলাচলে ঝুঁকি বেড়ে গেছে।
ইঞ্জিন ভ্যান, ইজিবাইক, নসিমন, করিমনের চালকরা যাত্রী নামিয়ে দিয়ে গর্ত পার হতে বাধ্য হন। মটর সাইকেল, বাই সাইকেল চালকরা কাদাপানির ধকলে নাস্তানাবুদ হয়ে থাকে। পথচারীরা যানবাহনের চাকার ধাক্কায় ছিটকানো অপরস্কিার পানিতে নাজেহলা হয়ে থাকে। অন্য যানবাহনের সাথে তাল মিলাতে না পেরে প্রাইভেটকার, মাইক্রো, অ্যাম্বুলেন্স, পণ্যবাহী যানবাহন বাধ্য হয়ে ভিন্ন রাস্তায় পাড়ি জমিয়ে থাকে।
ফলে জরুরী সেবা পেতে বাইরে যেতে চাওয়া রুগিসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়ছে। রাস্তার দুুর্দশার কারণে দুর্ঘটনার কবলে পড়ছে বিভিন্ন যানবাহন। অসহায় দরিদ্র ভ্যান, ইজিবাইক চালকরা দুর্ঘটনার কারণে যানবাহনের ক্ষতিতে পড়ে বিপাকে রয়েছে। ভোগান্তির হাত থেকে রক্ষা পেতে প্রশাসন ও জন প্রতিনিধিদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকা বাসি।
