করোনায় বন্ধ পারুলিয়া গরুহাট: বিপাকে খামারীরা
কাদের মহিউদ্দীন: সাতক্ষীরা জেলার এতিহ্যবাহী পারুলিয়া গরুহাটটি দুই সপ্তাহ যাবৎ বন্ধ। এর ফলে চরম বিপাকে পড়েছে প্রান্তিক খামারিরা। এখানে শুধু গরু নয় নিæ আয়ের মানুষের নিত্য পণ্যসহ ছাগল, হাঁস,মুরগী, কাপড়, বিছানা, পুরাতন সাইকেল, চারা, বীজ, ফল ছাড়াও মাছ, মাংস, সবজি, জাল, কাচি, কোদাল, দোড়-পাটা, চাউল, নিত্যপণ্যসহ বিক্রয় হয়ে থাকে। কিন্তু খেঁটে খাওয়া ও মধ্যবর্তী পরিবারের সকলেই সপ্তাহ রবিবার দিনটি আসলে তাকিয়ে থাকে এ হাটটির দিকে।
বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষেরা তাদের পছন্দের প্রয়োজনীয় মালামাল ক্রয়ের জন্য হাঁটটিতে আসেন। কিন্তু বর্তমানে করোনার প্রাদুর্ভাবে বন্ধ আছে। গত বছর মার্চ থেকে করোনার প্রাদুর্ভাব দেখাকালিন সময় থেকে অদ্যবদি পর্যন্ত ২৪ সপ্তাহ গরু হাট বন্ধ করা হয়েছে। বিশেষ করে ঈদুল আযাহা সামনে রেখে পারুলিয়ার গরুহাটটি দুই সপ্তাহ বন্ধ থাকায় চরমবিপাকে পড়েছে গুরু ব্যবসায়ী ও খামারীরা। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে গরু ব্যবসায়ীরা এই হাটে বিভিন্ন প্রজাতির গরু ক্রয় বিক্রয় করে থাকেন।
বিশেষ করে ঈদুল আযাহকে সামনে রেখে গরু কেনাবেঁচা জমে উঠে এবং জেলার বিভিন্ন পেশার মানুষ পারুলিয়া গুরু হাট থেকে তাদের পছন্দ মত গরু ক্রয় করে থাকেন। দেবহাটা উপজেলা প্রাণী সম্পদ অফিসার ডাঃ তহিদুল ইসলাম প্রতিবেদককে জানান দেবহাটায় ছোট বড় মিলে ২৪৫টি গরু খামার, ছাগলের ১২২টি, ভেড়ার ১৫টি খামার রয়েছে। হাট বন্ধ থাকায় চরম বিপাকে পড়েছে এ সমস্ত খামারীরা। পারুলিয়া গরুহাট এজারাদার জেলা পরিষদের সদস্য আল ফেরদৌস আলফা বলেন, গারুহাটটিতে ঈদকে সামনে রেখে কোটি কোটি টাকা বেঁচা কেনা হয়ে থাকে।
বিশেষ করে সমসাময়িক সময় বন্ধ থাকায় আমরা চরমভাবে লোকসানে পড়েছি। এজন্য স্বাস্থ্য বিধিমেনে ঈদ উপলক্ষ্যে হাটটি কীভাবে খুলে দেওয়া যায় সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন। ২নং পারুলিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম প্রতিবেদকে বলেন, ঈদকে সামনে রেখে পারুলিয়া গরুহাট জমে উঠে এবং হাজার হাজার মানুষ গরু ক্রয় করার জন্য অপেক্ষায় থাকে। হাট বন্ধ থাকায় গরু ক্রয়কারী ও বিক্রেতারা অসুবিধায় পড়বে। তারপরেও মানুষের জীবন রার্ক্ষাথে সরকারকে এ সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।

Leave a Reply