ঢাকাSaturday , 19 December 2020
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত সন্তান নিয়ে ভূমিহীন আলিফার সরকারি ঘরের দাবি

বিশেষ প্রতিনিধি ঢাকা
আপডেট: 19 December 2020, 21:16

নিজস্ব প্রতিনিধি : আশাশুনি সদরের শ্রীকলস গ্রামের আনছার গাজীর ছেলে হতদরিদ্র ভূমিহীন হযরত গাজী ও আলিফা খাতুন দুজনই ইটভাটা শ্রমিক। খালিদ (১৪), অলিদ (১০), মরিয়ম (৭) ও হোসেন (৪) নামে ৪ জন ছেলেমেয়ের সংসার। বাস করেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের জায়গায় ছোট্ট একটি ঘরে। কুজো হয়ে যাতায়াত করা একটি ঘরেই রান্না খাওয়া দিয়ে ৬ জনের বসবাস। ঘরের বেড়া পলিথিন দিয়ে ঘেরা। বহু বছর আগে গোলপাতা দিয়ে ছাওয়া হলেও কালের বিবর্তনে গোলপাতা আর নেই বললে চলে। তাই চালের উপর সাদা পলিথিন দিয়ে ইট চাপা দিয়ে চলে গেছে মহাসেন, বুলবুল ও আম্পানের মত বড়বড় ঝড়। ঝড়ে বারবার পলিথিন উড়ে এখন আসমানির ঘরের মত দেখতে হয়েছে। এরমধ্যেই ঝড়-বৃষ্টি-শীতে তাদের মানবেতর জীবন যাপন করতে হয়। ইটভাটা শ্রমিক হযরত গাজী বর্তমানে যশোরের একটি ইটভাটায় কাজ করছে। আলিফা খাতুন শিশু সন্তানদের ফেলে রেখে পার্শ্ববর্তী আব্দুস সামাদের ভাটায় কাজ করেন। আলিফা এ প্রতিবেদককে জানান- বর্ষা মৌসমে ভাটার টাকা দাদন (অগ্রিম) নিয়ে খাওয়া দাওয়া হয়ে গেছে। স্বামী কাজ করলেও সেখান থেকে টাকা আসে না। আমি ৪টি বাচ্চা নিয়ে ভাটায় কাজ করে কোন রকমে দিন চালাচ্ছি। এরমধ্যে বড় ছেলে খালিদ থ্যালাসেমিয়া রোগী। মাসে মাসে তার রক্ত দেওয়া লাগে। সে টাকা উপার্জন করতেই আমরা দিনরত খেটে মরছি। ক্লাস ফোর পর্যন্ত পড়িয়ে অর্থাভাবে তাকে আর পড়াতে পারলাম না। অলিদ আর মরিয়ম স্কুলে যায়। শ্বশুরের চার ছেলে জমি মাত্র এক শতক। আমরা ওয়াপদার জমিতে বাস করি। একটি সরকারি ঘর পেলে ৪টি ছেলেমেয়ে নিয়ে একটি মাথা গোঁজার ঠাঁই হতো। লেখা-পড়া না জানায় আর সারাদিন পরের অধীনে কাজে ব্যস্ত থাকায় সরকারি সাহায্যের জন্য কোথাও কোন আবেদন করতে পারিনে। আপনাদের মাধ্যমে যদি কোন সহযোগিতা পাই তাহলে আমি সরকারের কাছে কৃতজ্ঞ থাকব।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *