ঢাকাThursday , 3 December 2020
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

কুন্দুড়িয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দপ্তরির বিরুদ্ধে মানববন্ধন

বিশেষ প্রতিনিধি ঢাকা
আপডেট: 3 December 2020, 20:36

ডেস্ক রিপোর্ট : জালিয়াতির মাধ্যমে বয়স কমিয়ে কুন্দুড়িয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দপ্তরি চাকুরি পাওয়া শীব প্রসাদকে রক্ষা করতে আশাশুনি উপজেলা শিক্ষা অফিস ও জেলা শিক্ষা অফিসার কর্তৃক অশুভ পাঁয়তারার প্রতিবাদে এবং সুষ্ঠু তদন্তের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। কুন্দুড়িয়া গ্রামবাসীর আয়োজনে বৃহস্পতিবার (০৩ ডিসেম্বর) সকাল ১১টায় সাতক্ষীরা পাকাপুলের উপর এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, বুধহাটা ইউপির ৭,৮ ও ৯নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা সদস্য মোছা: মমতাজ বেগম, গ্রামবাসীর পক্ষে মো: ময়নুদ্দিন, মো: মিজান, প্রান্ত প্রমুখ। মানববন্ধন শেষে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের কাছে একটি স্মারক লিপি প্রদান করেন গ্রামবাসী।

বক্তারা বলেন, গত ২০১৩ সালের ২৮ মার্চ কুন্দুড়িয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দপ্তরি পদে নিয়োগ প্রাপ্ত হন শিব প্রসাদ। চাকুরি পাওয়ার জন্যে বয়স কমিয়ে তিনি বড় ভাই হয়েও ছোট এবং ছোট ভাই উত্তম কুমার সরকার হয়েছেন বড় ভাই। শিব প্রসাদ সরকার ৩ভাই বোনের মধ্যে সে মেজো এবং উত্তম ছোট। শিব প্রসাদের বর্তমান জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী তার জন্ম সাল ১৯৮৩। অথচ তার পিতা মারা যান ১৯৭১ সালে। যার সাক্ষী এলাকার বয়োবৃদ্ধরা। পিতার মৃত্যুর ১২ বছর পর কীভাবে তার জন্ম হলো শিব প্রসাদ ৩ ভাই বোনের মধ্যে মেজো। তার ছোট ভাই উত্তম কুমার সরকার। কিন্তু চাকুরি পাওয়ার উদ্দেশ্যে তার ভাগ্নি রবীন্দ্র নাথের সহযোগিতায় ভোটার আইডি কার্ড একাধিকবার পরিবর্তন করেছেন।

বয়স কমানোর ফলে বড় ভাই কাগজপত্রে হয়েছেন ছোট, আর ছোট ভাই হয়েছেন বড়। শিব প্রসাদ এপর্যন্ত প্রায় ৩ বার তার জাতীয় পরিচয়পত্র পরিবর্তন করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। বুধহাটা ইউনিয়ন পরিষদের জন্ম নিবন্ধন ভলিউম বইয়ে দেখা গেছে শিব প্রসাদের নামের স্থানে ফ্লুট মেরে কয়েকবার পরিবর্তন করা হয়েছে। যদিও সে সময় নাকি শিব প্রসাদের ভাগ্নি রবীন্দ্র নাথ ইউনিয়নের জন্ম নিবন্ধনের তালিকা প্রস্তুতের দায়িত্বে ছিলেন। পি এন উচ্চ বিদ্যালয় থেকে শিব প্রসাদ ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য ৮ম শ্রেণির একটি সনদ নিয়েছেন। অথচ আশাশুনি উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিস ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস প্রথম দিকে সঠিক ভাবে রিপোর্ট দিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিলেও বর্তমানে এড়িয়ে যাচ্ছেন। আমরা খবর পেয়েছি অভিযুক্তরা বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচার দিচ্ছেন শিক্ষা অফিসারদের ম্যানেজ করা হয়েছে। উক্ত বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্ত পূর্বক যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *