ঢাকাMonday , 30 November 2020
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

বুড়িগোয়ালিনীর দুই গ্রামে খাবার পানির তীব্র সংকট

বিশেষ প্রতিনিধি ঢাকা
আপডেট: 30 November 2020, 21:47

হুদা মালী, গাবুরা (শ্যামনগর) প্রতিনিধি : ঘূর্ণিঝড় আম্পানের তান্ডবে ক্ষতিগ্রস্ত উপক‚লবর্তী শ্যামনগরের বুড়িগোয়ালিনী এলাকায় খাবার পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। এতে এলাকার বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষ চরম দুরবস্থার মধ্যে দিন পার করছেন। আম্পানের তান্ডবে ক্ষতিগ্রস্ত বুড়িগোয়ালীনি ও গাবুরা এলাকায় মানুষ খাবার পানির সমস্যা মারাত্মক পর্যায়ে পৌঁছেছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

সরেজমিনে বুড়িগোয়ালিনী এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, খাবার পানির জন্য মানুষের মধ্যে হাহাকার সৃষ্টি হয়েছে। বিভিন্ন বেসরকারি সংগঠন হঠাৎ করে পানি দেয়া বন্ধ করে দেয়ায় অনেকে আকাশের দিকে তাকিয়ে বৃষ্টির অপেক্ষায় আছেন এলাকাবাসী।

বুড়িগোয়ালিনী গ্রামের নুরজাহান খাতুন জানান, আম্পানে বাঁধ ভেঙে গোটা এলাকা লবণ পানিতে তলিয়ে যাওয়ার পর থেকে কিছু সংগঠনের মানুষ পানি দিত। কিন্তু তারা এখন পানি দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছে। বুড়িগোয়ালিনী ফরেস্ট জামে মসজিদের পুকুরের পানির জন্য একটা ফিল্টার ছিল। ফিল্টার টা নষ্ট হয়ে যাওয়ার কারণে পুকুর থেকে পানি নিয়ে যেতে হচ্ছে। দুই গ্রামের মানুষের খাবার পানির জন্য ভোগান্তিতে আছি আমরা। ভাত না খেয়ে এক-আধ দিন কাটিয়ে দেয়া যায়। তবে পানি ছাড়া এক মুহ‚র্ত চলে না।

বুড়িগোয়ালীনী হোটেল মালিক মাজেদ ঢালী বলেন, এই পুকুরের পানি আমরা দুই গ্রামের মানুষ খাই। পুকুরের পানি খাবার জন্য একটি ফিল্টার আছে ট্যাপের মাধ্যমে খাবার পানি নিতাম। ফিল্টার ট্যাপটি নষ্ট হওয়ার কারণে আর পানি নিতে পারছি না। পানি সংকট নিয়ে একই অভিযোগ জানান বুড়িগোয়ালিনী বাজারে চায়ের দোকানদার রাজু।

ফিল্টার পরিচালনাকারী হারুন দর্জি জানান, ‘বুড়িগোয়ালিনী ফরেস্ট জামে মসজিদের ফিল্টারটা আমি পরিচালনা করি দীর্ঘদিন ধরে। এখন ফিল্টার টা নষ্ট হয়ে যাওয়ার কারণে আমি মানুষকে পানি দিতে পারছি না। পানি উঠানোর কন্ট্রোলার নষ্ট হওয়ার কারণে পানি দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। এর আগেও অনেকবার নষ্ট হয়েছিল বাজার থেকে কালেকশন করে ঠিক করছিলাম। বর্তমানে বুড়িগোয়ালিনী বাজারের থেকে আর কোন কালেকশন হচ্ছে না’। এ ব্যাপারে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *