ঢাকাWednesday , 28 October 2020
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

নারী উত্ত্যক্তকারীদের গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

admin ঢাকা
আপডেট: 28 October 2020, 20:41

ডেস্ক রিপোর্ট : শ্যামনগরে নারী উত্ত্যক্তকারীদের গ্রেফতারের দাবিতে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৮ অক্টোবর) বিকালে প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন করেন শ্যামনগরের মানিকখালী গ্রামের অশ্বীনি মন্ডলের ছেলে সুভাষ মন্ডল। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, দুর্গাপূজা চলাকালীন সময়ে গত ২৩ অক্টোবর বিকালে মানিকখালী সার্বজনীন মন্দিরে অনেকেই পূজা করতে আসেন। এসময় ভেটখালী গ্রামের পশুপতি মিস্ত্রীর ছেলে তুষার মিস্ত্রী (৩০), সোনাখালী গ্রামের অশ্বীন মন্ডলের ছেলে মোহন মন্ডল (২২), ভেটখালী গ্রামের বিভুতি মিস্ত্রীর ছেলে অভিষেক মিস্ত্রী (২১) ও নিতাই মন্ডলের ছেলে সুব্রত মন্ডল (২০) পুজো দিতে আসা যুবতী মেয়েদের উত্ত্যক্ত করতে থাকে। এক পর্যায়ে উত্ত্যক্তকারীরা স্বপ্না বালা মন্ডল নামের এক তরুণীকে অশ্লীল কথা বললে ওই তরুণী প্রতিবাদ করেন। তখন তরুণীর ওড়না ধরে টানাটানি করাসহ শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেয় উত্ত্যক্তকারীরা। এ সময় স্বপ্নার ডাক চিৎকারে মন্দিরের স্বেচ্ছাসেবক প্রতাপ মন্ডল, সঞ্জয় কুমারসহ কয়েকজন এগিয়ে এলে তারা পালিয়ে যায়। এরই জের ধরে ওই দিন সন্ধ্যার দিকে ওই বখাটে উত্ত্যক্তকারীরাসহ আরো কয়েকজন অজ্ঞাত ব্যক্তি বংশিপুর বাসস্ট্যান্ডের কাছে সরদার ক্লিনিকের পাশে ওত পেতে থাকে। এ সময় স্বেচ্ছাসেবক প্রতাপ মন্ডলসহ কয়েকজন সেখানে পৌঁছালে তারা বাঁশের লাঠি ও লোহার রড দিয়ে তাদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে মারপিট করে। এছাড়া, পরের দিন রাতে ওই উত্ত্যক্তকারীরা মন্দিরের ভাড়ালী ঘরে ইটপাটকেল মেরে পালিয়ে যায়। বিষয়টি থানা পুলিশকে অবহিত করা হলে পুলিশের পক্ষ থেকে মন্দিরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়।
সুভাষ মন্ডল আরো বলেন, একই বিষয়ের জের ধরে ২৬ অক্টোবর দেবী বিসর্জনের পর মিষ্টিমুখ অনুষ্ঠান শেষে রাত ১০ টার দিকে উত্ত্যক্তকারী সন্ত্রাসীরা দা, লোহার রড, লাঠি, ইটপাটকেল, হাতুড়ি নিয়ে মন্দির প্রাঙ্গণে স্বেচ্ছাসেবকদের ওপর হামলা চালায়। দোকানদারদের মালামাল লুঠ করে। সন্ত্রাসীদের হামলায় মন্দিরের স্বেচ্ছাসেবক সঞ্জয় কুমার, রবীন্দ্রনাথ মন্ডল, পরিমল মন্ডল, শারীরিক প্রতিবন্ধী মহেন্দ্র মন্ডল, প্রতাপ মন্ডল এবং তিনি সুভাষ মন্ডলসহ কয়েকজন আহত হন। আহতদের স্থানীয়রা উদ্ধার করে শ্যামনগর হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরবর্তীতে মারাত্মক জখম সঞ্জয় কুমার ও প্রতাপ মন্ডলকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। এ বিষয়ে শ্যামনগর থানায় ওই উত্ত্যক্তকারীরাসহ আরো কয়েকজনের নামে মামলা দায়ের হলেও অদ্যাবধি কোনো আসামি গ্রেফতার হয়নি। আসামিদের হুমকিতে নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন উল্লেখ করে তিনি পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *