ঢাকাWednesday , 30 September 2020
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

কলারোয়ায় দোকান ঘর উচ্ছেদ: হার্ট এ্যাটাকে ব্যবসায়ীর মৃত্যু

বিশেষ প্রতিনিধি ঢাকা
আপডেট: 30 September 2020, 22:00

হেলাতলা (কলারোয়া) প্রতিনিধি : কলারোয়ায় উপজেলার গয়ড়া বাজারের দোকান ঘর ভেঙে ফেলানোর ঘটনায় এক ব্যবসায়ী স্ট্রোক করে মারা গেছেন বলে পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকালে নিহতের ভাই মিজানুর রহমান জানান-উপজেলার চন্দনপুর ইউনিয়নের গয়ড়া বাজারে বাপ-দাদার রেখে যাওয়া প্রায় শত বছরের জমিতে ছোট ছোট দোকান ঘর করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছেন তাহারা। সম্প্রতি আম্পানে তাদের দোকান ক্ষতিগ্রস্ত হয়। দোকানে পানি পড়ে মালামাল নষ্ট হয়ে যাচ্ছ যে কারণে এলাকার চেয়ারম্যান সহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সাথে আলাপ আলোচনা করে দোকান ঘর পুনরায় ঠিক করা হয়। কিন্তু কিছু অসাধু ব্যক্তির নিজের স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য ইউএনও বরাবর সহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগের ভিত্তিতে গত ২৭ সেপ্টেম্বর বুধবার বিকালে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সহকারী কমিশনার (ভূমি) আকতার হোসেন, সার্ভেয়ার সজল হোসেন ও ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা মহাসিন হোসেন উপস্থিত হয়ে বিনা নোটিসে তাদের দু’ভাইয়ের দোকান ঘর ভেঙে দেয়। এ ঘটনায় তার বড় ভাই হার্ট স্ট্রোক করে বুধবার দিবাগত রাত ২টার দিকে নিজ বাড়িতে মারা যান। তিনি আরো বলেন-তাদের রেকর্ডিয় জমির সামনের অংশে সরকারী জমি আছে যা তার বাপ-দাদারা প্রায় শত বছর ধরে ভোগ দখল করে আসছেন। তাদের বাড়িতে যাতায়াতের এক মাত্র পথও ওই জমির সামনে দিয়ে, মৃতের ছেলে রুহুল কুদ্দুস ও আলামিন জানান-চন্দনপুর ও গয়ড়া মৌজায় প্রায় ১একর ৭৩শতক জমি রয়েছে। যাহা সরকারের ১খতিয়ানের জমি। তারাও বহু বছর ধরে দোকান পাট করে ভোগ দখল করে আসছে। কিন্তু তাদের কোন সমস্যা হচ্ছে না। হঠাৎ করে কোন কারণ ছাড়াই তাদের জমি থেকে দোকান ঘর উচ্ছেদ করা হলো। দোকান ঘর বানানোর আগেও কেউ কোন অভিযোগ করেননি। দোকান ঘর বানানোর পরে কেন এই দোকান ভাঙ্গা হলো সেটার কোন কারণ তারা বলতে পারছেন না। মৃতের পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করছেন যে ১শ বছর ধরে ওই জমিতে তারা বসবাস করে আসছেন তাই সরকারের পক্ষ থেকে তাদের নামে বন্দোবস্ত বা ডিসিআর দেয়া হোক। এবিষয়ে চন্দনপুর ইউনিয়নের ভূমি কর্মকর্তা মহাসিন হোসেন জানান, সরকারি জমি তাদের দখলে থাকায় উচ্ছেদ করা হয়েছে। পরবর্তীতে এই বাজারের অন্যান্য সরকারি জমি দখল মুক্ত করা হবে। গয়ড়া বাজার কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে বিষয়টি জানানো হয়েছে। চন্দনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম মনি জানান, দীর্ঘ বছর ধরে ওই জমিতে তারা দোকান ঘর নির্মাণ করে ব্যবসা করে আসছেন। কি কারণে দোকান ঘর উচ্ছেদ করা হলো তা তিনি বলতে পারনে না। গয়ড়া বাজারের খাস জমিতে ঘর নির্মাণ করায় বিষয়ে উপজেলা (ভূমি) কর্মকর্তা আখতার হোসেন জানান, খাস জমিতে কলম করে দোকান-ঘর নির্মাণ করায় নির্মাণাধীন ঘর ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং দোকান ঘর ভাঙ্গার পূর্বে তাদেরকে নোটিস প্রদান করা হয়েছে। বাকি ঘরগুলো পর্যায়ক্রমে ভাঙ্গা হবে বলে তিনি সাংবাদিকদের জানান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *