ঢাকাWednesday , 30 September 2020
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন নিয়ে সাংবাদিক ওরিয়েন্টেশন কর্মশালা

বিশেষ প্রতিনিধি ঢাকা
আপডেট: 30 September 2020, 21:29

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরায় সাংবাদিক ওরিয়েন্টেশন কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন সফল করতে জেলা সভিল সার্জন অফিস এ কর্মশালার আয়োজন করে। বুধবার বেলা ১১ টায় অনুষ্ঠিত কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন, জেলা সিভিল সার্জিন ডা: হুসাইন শাফায়াত, জেলা তথ্য কর্মকর্তা মোজাম্মেল হক, ডাক্তার ইকবাল মাহমুদ, পেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোজাফ্ফর রহমান, সিনিয়র সাংবাদিক সুভাষ চৌধুরী,ফারুক মাহাবুবুর রহমান প্রমুক।
ভিটামিন এ খাওয়ান শিশুমৃত্যুও ঝঁকি কমান এ ¯েøাগানকে সামনে রেখে কর্মশালায় সিভিল সার্জন বলেন, স্বাস্থ কারোর একার নয়। এটা সব মানুষের। সচেতনাতার অভাবে অনেকে স্বাস্থ্যঝুকিতে পড়ে। ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন সফল করতে গণমাধ্যম কর্মীরা সব সময়ই পাশে থেকে সয়াতায় করে আসছে। আগামী ৪ তারিখ থেকে পক্ষকাল ধরে চলবে চলবে এ ক্যাম্পেইন। ৬ মাস থেকে ১১ মাস বয়সের শিশুকে একটি করে নীল রংয়ের ক্যাপসুল ও ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের লাল রঙের ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। করোনায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে এ কার্যক্রম শতভাগ সফল করতে সকলের সহায়তা কামনা করেন। এর আগে ডাক্তার ইকবার মাহমুদ ভিটামিন-এ এর অভাবে শিশুসহ মানুষের কোন ধরনের স্থাস্থ্য ঝুকিতে পড়তে হয় তা প্রোজেক্টারের মাধ্যমে উপস্থিত গণমাধ্যম কর্মীদের সামনে উপাস্থাপন করেন। পরে সিভিল সার্জন সাংবাদিককের বিভিন্ন প্রশ্নের জাবাব দেন।
সিভিল সার্জন সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, আগামী ৪ অক্টোবর থেকে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন পালিত হবে। এই কার্যক্রমের মাধ্যমে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী সকল শিশুকে ১টি নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী সকল শিশুকে ১টি লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল বিনামূল্যে খাওয়ানো হবো। তিনি আরো বলেন, শিশুর সুস্থভাবে বেঁচে থাকা, স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও দৃষ্টি শক্তির জন্য ভিটামিন ‘এ’ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এক অণুপুষ্টি। ভিটামিন ‘এ’ চোখের স্বাভাবিক দৃষ্টিশক্তি ও শরীরের স্বাভাবিক বৃদ্ধি বজায় রাখে এবং বিভিন্ন রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করে থাকে। ভিটামিন ‘এ’র অভাবে রাতকানাসহ চোখের অন্যান্য রোগ, শরীরের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত হওয়া, রক্তশূন্যতা এমনকি শিশুর মৃত্যু হতে পারে। বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য নীতিমালা অনুযায়ী, বছরে ২ বার ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *