জরুরী ভিত্তিতে তুরুস্ক থেকে পেঁয়াজ আমদানি করছে ভোমরার ব্যবসায়ীরা
কাদের মহিউদ্দীন : কোন রকম পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই প্রতিবেশী দেশ ভারত গত ১৪ সেপ্টেম্বর থেকে বাংলাদেশে পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধের ঘোষণা দিলে চরম বিপাকে পড়ে আমদানিকারক ব্যবসায়ীরা। হৈ চৈ পড়ে যায় দেশ জুড়ে। হুড়ো-হুড়ি শুরু হয়ে যায় পেঁয়াজের বাজারে। তাদের পূর্বের খোলা ঋণ পত্রের (এলসি) পণ্য কয়েক হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ ভর্তি পণ্যবাহী ট্রাক ভারতের বিভিন্ন স্থল বন্দর সিমান্তে আটকা পড়ে। অনেক গড়িমসি দেনদরবারের মাধ্যমে পূর্বের এলসিকৃত পেঁয়াজ বাংলাদেশে আমদানি করার অনুমতি দেয় ভারত সরকার। কিন্তু আমদানীকৃত চল্লিশ শতাংশ পেঁয়াজ বন্দরে অপেক্ষমান থাকায় পচে যাওয়ায় ব্যবসায়ীরা পড়ে আর্থিক ক্ষতির মুখে। এমন পরিস্থিতিতে দেশের প্রভাবশালী পেঁয়াজ আমদানি কারক ব্যবসায়ীরা ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি করতে প্রকাশ করে অনীহা। এক পর্যায়ে আমদানি কারক ব্যবসায়ীরা ভারতমুখী না হয়ে তুরুস্ক, মায়ানমার ও পাকিস্তান থেকে পেঁয়াজ আমদানির করার সিদ্ধান্ত নেন। সাতক্ষীরার ভোমরা স্থল বন্দরের মেসার্স রাফসান ট্রেডার্স প্রথম পর্যায়ে তুরুস্ক থেকে ঋণ পত্র (এল,সি) মাধ্যমে ২৯০ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানির করার জন্য খামার বাড়ি ন্যাশনাল প্লান কোয়ারেন্টাইন অথরিটি থেকে ইম্পোর্ট পারমিশন নিয়েছে। যাহার এল,সি নং ০৯১৮২০০১০৪৭০, মেসার্স রাফসান ট্রেডার্সের পরিচালক আবু হাসান জানান, ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি না করে তুরুস্ক থেকে প্রথম দফায় ২৯০ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানির লক্ষে গত ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০ ইং তারিখে একটি ঋণপত্র খোলা হয়েছে। তুরুস্ক থেকে ছেড়ে আসা পেঁয়াজ ভর্তি জাহাজটি আগামী ১৫ই অক্টোবর বাংলাদেশের চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দরে এস পৌঁছাবে। তিনি আরো জানান খামারবাড়ী ন্যাশনাল প্লান্ট কোয়ারেন্টাইন অথরিটি থেকে আরো ২ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি মিলেছে। যার ইম্পোট মারমিট নং ২০০২১৫৯৭৪। এই প্রথমবারের মত সাতক্ষীরার ভোমরা স্থল বন্দরের মেসার্স রাফসান ট্রেডার্স সুদূর তুরুস্ক থেকে পেঁয়াজ আমদানি করছে।

Leave a Reply