ঢাকাFriday , 21 September 2018
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

চাম্পাফুলের মঠবাড়ি কমিউনিটি ক্লিনিক বন্ধ!

admin ঢাকা
আপডেট: 21 September 2018, 15:01

বাপ্পী সরকার, চাম্পাফুল: “প্রতিদিন ক্লিনিকে আসি, কিন্তু ডাক্তার আসে না। ক্যান আসে না তা কিজান? কেউ বলতি পারে না। মাঝে মাঝে কারও মুবাইল দে কল করলি ডাক্তার মেয়িডা কয় তার বিটা অসুস্থ। তাই সে আসতি পারে না। তা ইরাম করি আর কদ্দিন?” কালিগঞ্জের চাম্পাফুল ইউনিয়নের চান্দুলিয়া মঠবাড়ি কমিউনিটি ক্লিনিকে সেবা নিতে এসে ডাক্তার না পেয়ে ফিরে যাওয়ার পথে সুপ্রভাত সাতক্ষীরাকে এভাবেই সমস্যার কথা বলেন ষাটোর্ধ্ব আনজুয়ারা। পেটের আর দাতের সমস্যা নিয়ে এই নিয়ে মোট পাঁচ-ছয় দিন আসলেও ওষুধ নিতে পারেননি তিনি। শুধু আনজুয়ারা নন, এমন হাতাশা নিয়ে বাড়ি ফিরতে দেখা গেছে আট থেকে দশ জন নারী-পুরুষের। কমিউনিটি ক্লিনিক বন্ধ থাকার কারণে সেবা নিতে পারছেন না এসব মানুষ।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মঠবাড়ি এলাকাসহ তিন গ্রামের মানুষের স্বাস্থ্য সেবার আশ্রয়স্থল এই কমিউনিটি ক্লিনিক।
কমিউনিটি ক্লিনিকে সেবা নিতে আসা মধ্যবয়সী আলতাফ হোসেন বলেন, “আগের দিন এ্যসি দ্যাখলাম ক্লিনিকে একটা বাইসাইকেলের তালা ঝুলতিছ। আজগিরডাও সেই একই অবস্থা। কার কাছে কি কবো? ডাক্তাররা তো সরকারি চাকরি করে। তাদের কথা আর কবার মতোন না।”
এদিকে, মা ও শিশু স্বাস্থ্য সেবা নিতে আসা রোগীর সংখ্যাও নিতান্তই কম নয়। তারা এই কমিউনিটি ক্লিনিকে সেবা নিতে না পেরে শহরে ছুটতে বাধ্য হচ্ছেন।
এক বছরের বাচ্চা নিয়ে মা মোমেনা বেগম সেবা নিতে এসে সুপ্রভাত সাতক্ষীরাকে বলেন, “বাচাডার জন্যি ওষুধ নোব তাই আসলাম, তা ডাক্তার দেখতিছ নেই। বাচাডা আমার খুব অসুস্থ। কখন যে ডাক্তার আপা থাকপে তা কেউ বলতি পারলো না।”
তিনি আরও জানান, মাঠ পর্যায়ে যারা কাজ করে তারাও নাকি নিয়মিত ওষুধ সরবরাহ করেন না। গর্ভবতী মহিলাদের নিয়মিত চেকাপ করার জন্যে কেউ আসে না। এ কারণে খুবই অসহায়ত্বের মধ্যে দিয়ে পার করছে এলাকাবাসী।
তবে এ ব্যাপারে বার বার অভিযোগ করেও কোন লাভ হয়নি বলে জানান এলাকাবাসী। তাদের সাথে কথা বলে আরও জানা যায়, এই কমিউনিটি ক্লিনিকে দীর্ঘদিন ধরে কোন ওষুধ বিতরণ করা হয় না।
কমিউনিটি ক্লিনিকের ভূমিদাতা সুভাষ চন্দ্র সরকার বলেন, ডা. জেসমিন আরা সপ্তাহে একদিন আসে সকাল ১১টায়, আর চলে যায় দুপুর ১টায়।
কমিউনিটি ক্লিনিকের সভাপতি মো. আব্দুল গনি বলেন, এসব সমস্যার ব্যাপারে আমার কোন কিছু জানা নেই। খোঁজ নিয়ে দেখবো।
মুঠোফোনে ডা. জেসমিন আরার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমার স্বামী অসুস্থ আছে এজন্যে আমি ক্লিনিকে আসতে পারছি না। ক্লিনিকে আসলে বিস্তারিত কথা হবে। কবে ক্লিনিকে আসবেন তা তিনি জানাতে পারেননি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *