ঢাকাThursday , 27 August 2020
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

আশাশুনি উপজেলা সদরের মরা গাছ পথচারীদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ

বিশেষ প্রতিনিধি ঢাকা
আপডেট: 27 August 2020, 20:51

সমীর রায়, নিজস্ব প্রতিনিধি : আশাশুনি উপজেলা পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউÐেশন ও মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে কয়েকটি মরা (চটকা) গাছ পথচারীদের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মাঝেমধ্যেই এসব গাছের মরা ডাল ভেঙে পার্শ্ববর্তী ঘরের সিমেন্ট সিটের চাল ভেঙে দিচ্ছে। কখনও আবার পথচারীদের সামনে বা পিছনে স্ব-শব্দে ভেঙে পড়ে তাদের আতঙ্কিত করে দিচ্ছে।

সরজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, উপজেলা সদরে ঢুকতে প্রধান ফটকের সামনে পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউÐেশনের এরিয়ার ভেতরে ৩ টি, পাশেই সমাজসেবা অফিসের সামনে ১ টি, গোডাউন সড়কে মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে ৩ টি ও খাদ্য গুদামের ভেতরে ১ টি বড় শিশু চটকা বিগত আইলায় লোনা পানিতে মরে যায়। সেখান থেকে লক্ষাধিক টাকা মূল্যের গাছগুলির ডাল-পালা রোদে-জলে এবং ঘুণ পোকা লেগে প্রায় নষ্ট হতে চলেছে। ঝড়-বৃষ্টি শুরু হলেই গাছের শুকনো ডাল-পালা ভাঙতে শুরু করে। এতে কয়েকজন আহত হয়েছে বলেও শোনা গেছে। উপজেলা পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউÐেশনের কর্মকর্তা ফিরোজ আহম্মেদ জানান- মরা গাছগুলি আসলেই খুব ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে। কয়েকদিন আগে গাছের ডাল আমাদের অফিস চত্বরে রাখা একটি মোটরসাইকেলে পড়ে গাড়িটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া পুরোনো মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের চালে পড়ে সিমেন্ট সিট ভেঙে গেছে।

উপজেলা মসজিদের মুয়াজ্জিন আব্দুল গফ্যার জানান- কয়েকদিনের টানা বর্ষণে মরাগাছের শুকনো ডাল পানিতে ভিজে সামান্য বাতাস হলেই পড়তে শুরু করেছে। অবিলম্বে গাছগুলি বিধি মোতাবেক অপসারণ করে পথচারীদের পথচলা ও অফিসে আসা নিরাপদ করার দাবি জানাচ্ছি। মূল ফটকের সামনে চায়ের দোকানি লেলিন জানান- মডেল স্কুলের সামনে ৩টি ও ফুটবল মাঠ সংলগ্ন গোডাউনের ভেতরে আরও ১টি মরা গাছ আছে। ভাগ্য ভাল এখন স্কুল খোলা নেই না হলে বড় ধরনের বিপদ হতে পারতো। আমি কয়েকদিন দেখেছি বর্ষার সময় গাছের ডাল ভেঙে পড়তে। গাছগুলি দ্রæত অপসারণ করা দরকার।

এদিকে উপজেলার হাসপাতাল কমপ্লেক্স এরিয়ার ভেতর আরও কয়েকটি মরা গাছ এভাবেই পড়ে পড়ে বিনষ্ট হচ্ছে। এসব গাছগুলো সঠিক মূল্য থাকতে থাকতে অপসারণ করলে যেমন কোষাগারে টাকা আসবে তেমনি পথচারীরা নিরাপদে অফিস আদালতে যাতায়াত করতে পারবে। বিষয়টি আমলে নিতে প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সচেতনমহল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *