ঢাকাTuesday , 25 August 2020
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

আশাশুনিতে জলমগ্ন ৩৭ গ্রাম পরিদর্শন শেষে উপজেলা চেয়ারম্যানের ত্রাণ বিতরণ

বিশেষ প্রতিনিধি ঢাকা
আপডেট: 25 August 2020, 21:12

নিজস্ব প্রতিনিধি : পানিতে নিমজ্জিত আশাশুনির প্রতাপনগর ও আশাশুনি সদর ইউনিয়নের ৩৭ গ্রাম পরিদর্শন শেষে ১ হাজার ৫শ’ বানভাসি মানুষের মাঝে চাউল বিতরণ করেছেন উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এ বি এম মোস্তাকিম। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সকাল থেকে দিনভর তিনি প্রতাপনগরের রুইয়ারবিল, চাকলা, কুড়িকাহনিয়া, সুভদ্রাকাটি, কল্যানপুর, দীঘলারআইটসহ প্রায় ২৫ গ্রাম ও আশাশুনি সদর ইউনিয়নের বলাবাড়িয়া, ঠাকুরাবাদ, খাসেরবাদ, কমলাপুর, ডাসেরআটিসহ প্রায় ১২টি জলমগ্ন গ্রাম পরিদর্শন করেন। বানভাসি মানুষের খোঁজ খবর নিয়ে তিনি বলেন, টেঁকসই বেড়ি-বাঁধ নির্মাণে বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা প্রতিশ্রæতিবদ্ধ। পানি উন্নয়ন বোর্ড ও স্থানীয় প্রশাসন সে লক্ষে কাজ করে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে দায়িত্বপ্রাপ্ত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্য ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ শুরু করে দিয়েছে। মনে সাহস রাখুন। আমার সরকার রাক্ষুসে পদ্মার বুকে যদি সেতু নির্মাণ করতে পারেন তবে আপনাদের জানমাল রক্ষায় উপক‚লীয় অঞ্চলে টেঁকসই বেড়ি-বাঁধ অবশ্যই নির্মাণ করবেন।

উল্লেখ্য গত কয়েকদিনের লঘু চাপ, অতি বর্ষণ ও প্রবল জোয়ারের কারণে ভাঙন কবলিত এলাকার মূল বাঁধ ও রিং বাঁধ ভেঙে প্রতাপনগর, শ্রীউলা ইউনিয়নের সকল গ্রাম ও আশাশুনি সদর ইউনিয়নের ১৪টি গ্রাম নতুন করে প্লাবিত হয়েছে। বানভাসি মানুষের জানমালের নিরাপত্তা ও ইউনিয়নকে রক্ষা করতে হলে রিং বাঁধ দিয়ে পানি আটকানো এবং পরবর্তীতে টেকসই বেড়ি বাঁধের বিকল্প নাই। আমি উচ্চ পর্যায়ে সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে কথা বলেছি যাতে অতি দ্রæত রিং বাঁধ ও পরবর্তীতে টেকসই বাঁধ দিয়ে বানভাসি এলাকাকে রক্ষা করা যায়। উপজেলা চেয়ারম্যান উপক‚লবর্তী জনগণ ও জনপদকে রক্ষার লক্ষে টেঁকসই বেড়ি বাঁধ নির্মাণের জন্য প্রধানমন্ত্রীর আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এদিন তিনি প্রতাপনগরে বানভাসি ১ হাজার ৫শ’ মানুষকে ১০ কেজি হারে চাউল বিতরণের উদ্বোধন করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রতাপনগর ইউপি চেয়ারম্যান শেখ জাকির হোসেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সামাদ বাচ্চু, ইউপি সদস্য কোহিনুর ইসলাম, সিরাজুল ইসলাম, প্রতাপনগর ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি আব্দুল বারেক গাজী ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। প্রসঙ্গত, আম্পানে কপোতাক্ষ ও খোলপেটুয়া নদীর বাঁধ ভেঙে প্রতাপনগরের ২৫, শ্রীউলার ২২ ও আশাশুনি সদরের ৩ গ্রাম প্লাবিত হয়। সর্বশেষ গত শুক্রবার শ্রীউলার বন্যার পানি বিভিন্ন রাস্তা ছাপিয়ে আশাশুনি সদরের আরও ১৪ গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। বর্তমানে প্রতাপনগর ও শ্রীউলার মত নতুন করে আশাশুনি সদরের প্লাবিতরাও মানবেতর জীবন যাপনে বাধ্য হচ্ছ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *