ঢাকাMonday , 24 August 2020
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

অনিয়মের অভিযোগে কলারোয়ার জননী নার্সিং হোম বন্ধের নির্দেশ

বিশেষ প্রতিনিধি ঢাকা
আপডেট: 24 August 2020, 22:08

কলারোয়া প্রতিনিধি : কলারোয়ার কাজীরহাটের জননী নার্সিং হোমের বিরুদ্ধে অনিয়মের তদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। তদন্তে লাইসেন্স ছাড়াই ক্লিনিক পরিচালনা এবং ভুয়া চিকিৎসক ও নার্স দিয়ে ক্লিনিক পরিচালনার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় তা সাময়িক বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ। কিন্তু এ নির্দেশের তোয়াক্কা না করে বীর দর্পে ওই অবৈধ ক্লিনিক চালিয়ে যাচ্ছেন ক্লিনিকের মালিক আশরাফুল ইসলাম। গত ১৮ আগস্ট কলারোয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. জিয়াউর রহমান প্রেরিত তদন্ত প্রতিবেদনে নার্সিং হোমের বিরদ্ধে অনিয়মের বিষয়টি প্রাথমিকভাবে উঠে আসে। এর প্রেক্ষিতে উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা প্রতিষ্ঠানটি সাময়িক বন্ধের নির্দেশ দেন।

এর আগে ওই ক্লিনিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সাতক্ষীরা সির্ভিল সার্জন বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন কলারোয়া উপজেলার নাকিলা গ্রামের খোরশেদ আলীর পুত্র রমজান আলী। অভিযোগকারী রমজান আলী একজন অসহায় ট্রাক চালক। সম্প্রতি তার পিতার প্রসব বন্ধ হয়ে গেলে কাজীর হাটের জননী নার্সিং হোম ক্লিনিকে নিয়ে যান। কিন্তু ওই ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ তার পিতার ভুল চিকিৎসা প্রদান করে (সারা বিশ্বে নিষিদ্ধ) এক ইনজেকশন লিখে দেন। বিষয়টি ঔষধের দোকান থেকে অবগত হয়ে তাদের কাছে তারা বিষয়টি কাউকে না জানানোর জন্য খুন জখমসহ মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানির হুমকি প্রদর্শন করে। তিনি আরো ওই ক্লিনিকের কোন রেজিস্ট্রেশন নেই।

বিধি মোতাবেক এমবিবিএস চিকিৎসক, প্রশিক্ষিত নার্স থাকার কথা থাকলেও তা নেই। সাইনবোর্ডে থাকে একজন চিকিৎসকের নাম আর অপারেশন করে অন্যজন। ক্লিনিকে ভর্তি হলেই হাজার হাজার টাকা বিল ধরিয়ে দেওয়া হয় রোগীর পরিবারকে। এছাড়া তার ক্লিনিকে টেকনোলোজি ল্যাব এবং কোন টেকনোলোজিস্ট না থাকলেও ভুয়া স্বাক্ষর করে রক্তের গ্রæপিংসহ বিভিন্ন পরীক্ষার নামে হাজার হাজার টাকা উত্তোলন করে। ক্লিনিক মালিক আশরাফুল নিজেই টেকনোলোজিস্ট সেজে মানুষের জীবন বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন। শুধু এ ক্ষেত্রেই নয় তার ক্লিনিকে ভর্তি হয়ে অপ-চিকিৎসার কারণে একাধিক ব্যক্তির মৃত্যুও হয়েছে। অনেকেই ভুল চিকিৎসার কারণে ক্ষত নিয়ে দুর্বিষহ জীবন যাপন করে যাচ্ছেন। এ বিষয়ে সিভিল সার্জন ডা. হোসাইন সাফায়েত বলেন, ‘আমরা দ্রæত একটি টিম নিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে কাজিরহাটের জননী নার্সিংহোম বন্ধ করে দেবো’।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *