ফরেস্টের দালাল পাশ শহিদুলের খুঁটির জোর কোথায় ?
সুন্দরবন অঞ্চল প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার রেঞ্জের পশ্চিম সুন্দরবনের মাছ, কাঁকড়া আহরণকারী জেলে-বাওয়ালিদের কাছ থেকে ফরেস্ট, স্মার্ট টিমসহ বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে শ্যামনগর উপজেলার মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের বড় ভেটখালী গ্রামের মৃত কওসারের পুত্র শহিদুল অরফে পাশ শহিদুল। তার নেপথ্য কে কাজ করছে এমন প্রশ্ন জেলে-বাওয়ালিসহ সর্ব সাধারণের মাঝে। জেলে ও বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, শহিদুল মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের মীরগাং, পার্শ্বেখালী, যতীন্দ্রনগর, হরিননগর, বড় ভেটখালী, রমজাননগর ইউনিয়নের কালিঞ্চী, টেংরাখালী, গোলাখালী, ভেটখালী ও কৈখালী ইউনিয়নের ৩শ’ থেকে ৪শ’ জেলেদের জিম্মি করে তাদের নামীয় পাশপারমিট নিজের কাছে রেখে প্রতি গোনে হাজার হাজার টাকা আদায় করে চলেছে বলে অভিযোগ ওইসব ভুক্তভোগী জেলে-বাওয়ালিদের।
শহিদুলের বিষয়টি নিয়ে ইতি পূর্বে বন বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবগত করা হলে কিছুদিন শহিদুলের দালালি থেমে থাকলেও বর্তমানে পূর্বের চেয়ে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে বলে জানিয়েছেন একাধিক জেলে। জেলে-বাওয়ালিরা জানায়, সুন্দরবনে প্রবেশ নিষিদ্ধ সময়ও ফরেস্টকে ম্যানেজ করে সাধারণ জেলে-বাওয়ালিদের নিকট থেকে নৌকা প্রতি এক হাজার টাকা করে আদায় করছে। একজন ব্যক্তি কীভাবে একা কৈখালী ফরেস্ট স্টেশন ও কদমতলা ফরেস্ট স্টেশনের ৩শ’ থেকে ৪শ’ টি, বি, এল, সি নিয়ন্ত্রণ করে। এ বিষয়ে পাশ শহিদুলের সাথে আলাপ কালে তিনি বলেন, ‘আপনারা নিউজ করে যা করার করেন। আমি সব জায়গায় ম্যানেজ করে চলি’।
এ বিষয়ে পশ্চিম সুন্দরবনের খুলনা বিভাগীয় কর্মকর্তা (ডি,এফ,ও) বলেন, ‘শহিদুলের বিষয়টি আমি ইতি পূর্বে শুনে তাকে আমাদের অফিসে উঠতে নিষেধ করে দিয়েছি। যদি সে আবারও এমন ধরনের অপরাধ করে থাকে তাহলে তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে’। সাতক্ষীরা রেঞ্জের এ,সি,এফ একই কথা বলেন।
কৈখালী ফরেস্ট স্টেশন কর্মকর্তা মো. মোবারক হোসেন বলেন, ‘আমি নতুন এসেছি। শহিদুলকে আমি চিনি না। ফরেস্ট স্টেশনে কোন প্রকার দালালি আমি মেনে নিব না’। শহিদুলের দালালির হাত থেকে জেলে-বাওয়ালিরা পরিত্রাণ পাওয়াসহ দালাল বিহিত ফরেস্ট অফিসের সেবা পাওয়ার জন্য বন বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন।

Leave a Reply