ঢাকাThursday , 20 August 2020
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

মানবিক আবেদন নিয়ে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে তিন সন্তানের জননীর সংবাদ সম্মেলন

বিশেষ প্রতিনিধি ঢাকা
আপডেট: 20 August 2020, 22:12

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : মানবিক আবেদন নিয়ে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন তিন সন্তানের জননী রোজিনা খাতুন। তিনি দেবহাটা উপজেলার শাখরা কোমরপুর গ্রামের জাকির হোসেনের স্ত্রী। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে অসহায় রোজিনা খাতুন লিখিত বক্তব্যে বলেন, আমার স্বামী মানসিক রোগী (পাগল)। শাশুড়ি ছকিনা খাতুন সম্পর্কে আমার আপন খালা। বিয়ের সময় তিনি এবং আমার শ্বশুর প্রতিশ্রæতি দিয়েছিলেন, তারা আমাদের ভবিষ্যতের জন্য অর্থ সম্পদ দিয়ে কিছু ব্যবস্থা করবেন। পাগল জাকিরের সাথে বিয়ের পর আমাদের সংসারে তিনটি সন্তানের জন্ম হয়েছে।
তিনি বলেন, আমার শ্বশুর জীবিত থাকাকালীন মৌখিকভাবে আমাদের সাড়ে ৬ বিঘা ধানের জমি দিয়েছিলেন। ওই জমির হারির টাকা নিয়ে কোনো রকমে জীবন-জীবিকা নির্বাহ করে আসছিলাম। কিন্তু বছর দুই আগে আমার শ্বশুর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে থাকাকালীন আমার ছোট দেবর ওই সম্পত্তি লিখে নিয়ে জমি দখল করে। এর কিছুদিন পর আমার শ্বশুর মারা যান। শ্বশুর আবুল কাশেম মারা যাওয়ার পর আমরা ভীষণ অসহায় হয়ে পড়ি। আমাদের অসহায়ত্ব দেখে আমার শাশুড়ি ছকিনা খাতুন গত ১ জুন ও ১ জুলাই আমার পাগল স্বামী জাকিরের নামে সাড়ে চার বিঘা জমি লিখে দেন। বিষয়টি জানতে পেরে আমার স্বামীর অন্যান্য ভাই বোনেরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। তারা বিভিন্ন হুমকি-ধামকী দিয়ে আমার শাশুড়িকে দিয়ে রেজিস্ট্রি করে দেওয়া জমি ফেরত নেওয়ার জন্য বিভিন্ন জায়গায় অভিযোগ করছে। এমনকি একটি পত্রিকায়ও এ ব্যাপারে মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন করিয়েছে।
গৃহবধূ রোজিনা খাতুন জানান, ছোট ছোট তিনটি বাচ্চা ও পাগল স্বামীকে নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছি। অভাবের তাড়নায় একটি বাচ্চাকে আমার এক চাচা শ্বশুর ভরন পোষণের দায়িত্ব নিয়েছেন। অথচ আমার শ্বশুরের জায়গা জমি রয়েছে অনেক। শুধুমাত্র স্বামীর ভাই বোনেরা ষড়যন্ত্র করে আমাদেরকে ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত করছে। আর শাশুড়ির দেওয়া এই সাড়ে চার বিঘা জমি ফিরিয়ে নিতে তারা একের পর এক হুমকি ধামকী দিয়ে যাচ্ছে। বিভিন্ন ধরনের ষড়যন্ত্র করছে। তিনি বলেন, এই সামান্য জমিটুকু কেড়ে নিলে সন্তানদের নিয়ে পথে পথে ঘুরে বেড়ানো ছাড়া আর কোনো উপায় থাকবে না। তিনি বিষয়টি মানবিকভাবে বিবেচনায় নিয়ে তাদের পাশে দাঁড়ানোসহ সকল প্রকার সহযোগিতার আবেদন জানিয়েছেন পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট সকলের কাছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *