ঢাকাMonday , 17 August 2020
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

শ্যামনগরের নাসিরাবাদ মাদ্রাসায় নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ

বিশেষ প্রতিনিধি ঢাকা
আপডেট: 17 August 2020, 21:21

মুন্সিগঞ্জ (শ্যামনগর) প্রতিনিধি : শ্যামনগর উপজেলার মুন্সিগঞ্জ ও ঈশ্বরীপুর ইউনিয়নের মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত হেতেলখালি নাসিরাবাদ মাদ্রাসায় সম্প্রতি তিনটি পদে নিয়োগে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের তীর মাদ্রাসার সুপার মাওলানা আব্দুল বারী ও সভাপতি বজলুর রশীদের দিকে। সম্প্রতি মাদ্রাসাটিতে গোপনে তিনটা পদে (সহ-সুপার, আয়া ও নৈশ প্রহরী) নিয়োগ দিয়েছে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ।

নিয়োগ পাওয়া ব্যক্তিরা হলেন, সুপার আব্দুল বারীর মেজ মেয়ে হাবিবা, বড় মেয়ের ছেলে আব্দুর রহমান ও সহ-সুপার হয়েছেন মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠাতার ছেলে ম্যানেজিং কমিটির দাতা সদস্য জাফর ইকবলের ভাই ইয়াছিন আলী।

এমন নিয়োগ নিয়ে এলাকায় সমালোচনার ঝড় শুরু হয়েছে। নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে ম্যানেজিং কমিটির সদস্য ও শিক্ষকদের না জানিয়ে গত ১৪ আগস্ট শুক্রবার গোপনে নিয়োগের কাজ শেষ করেছেন বলে অভিযোগ সচেতন মহলের। এছাড়া ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস সরকারি ভাবে সীমিত আকারে পালনের নির্দেশ থাকলেও ওই প্রতিষ্ঠানে শোক দিবস পালন করা হয়নি। এমনকি জাতীয় পতাকা উত্তোলন না করার অভিযোগও রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে।

তবে নিয়োগের বিষয়টি জানাজানি হলে বিদ্যোৎসাহী সদস্য আব্দুর রব ও অভিভাবক সদস্য আদম আলী, সিরাজুল ইসলাম, শাহাজান দাতা সদস্য জাফর ইকবাল সহ আরো অনেকে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার কাছে লিখিত অভিযোগে করেন।

বিদ্যোৎসাহী সদস্য আব্দুর রব বলেন, ‘আমাদেরকে না জানিয়ে গোপনে সুপার নিজের মেয়ে নিজের নাতিকে নিয়োগ দিয়েছে। তার যে মেয়েকে নিয়োগ দিয়েছে তার বাড়ি কালিগঞ্জ উপজেলায়। আয়া পদে নিয়োগের জন্য প্রতিষ্ঠানের পাশের কাউকে নিয়োগ দেওয়ার শর্ত থাকলেও তা না মেনে তার নিজের মেয়ে ও নৈশ প্রহরী পদে তার নাতিকে নিয়োগ দিয়েছে। বিষয়টি অতি দুঃখজনক’।

প্রতিষ্ঠানের দাতা সদস্য জাফর ইকবাল বলেন, ‘আমাদেরকে না জানিয়ে গোপনে সুপার নিজের মেজ মেয়ে ও নাতিকে নিয়োগ দিয়েছে। বিষয়টি জানতে পেরে সভাপতির সাথে কথা হলে সভাপতি বলেন সুপার কীভাবে নিয়োগ দিয়েছে বিষয়টি আমি জানি না’।

তবে সভাপতি বজলুর রশীদ বলেন, ‘সরকারি বিধি অনুযায়ী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে’।

এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার নুর মোহাম্মদ তেজারাত বলেন, ‘আমার কাছে অভিযোগে করলে তদন্তের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সরকারি বিধি মোতাবেক নিয়োগ বোর্ডে যে থাকবে তার পরিবার থেকে প্রার্থী আসলে সে নিয়োগ বোর্ডে থাকতে পারবে না’।

গোপনে নিয়োগ দেয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ম্যানেজিং কমিটির সদস্যবৃন্দ। বিষয়টি তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান এলাকাবাসী।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *