ঢাকাWednesday , 12 August 2020
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

অর্থের অভাবে বিনা চিকিৎসায় মৃত্যু পথে শ্যামনগরের শাহাজান

বিশেষ প্রতিনিধি ঢাকা
আপডেট: 12 August 2020, 22:29

মুন্সিগঞ্জ (শ্যামনগর) প্রতিনিধি : শ্যামনগর উপজেলার দাতিনাখালী গ্রামের দিনমজুর শাহাজান অর্থের অভাবে বিনা চিকিৎসায় মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন। এ অবস্থা থেকে সুস্থ হয়ে বৃদ্ধা মা, স্ত্রী আর দুই কন্যাকে নিয়ে বেচে থাকতে সমাজের বিত্তবানদের সহযোগিতাই এখন তার একান্ত কাম্য।

শাহাজানের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ‘সম্প্রতি বাড়ি থেকে কলবাড়ি বাজারে যাওয়ার পথে দ্রæতগামী মটর-ভ্যান থেকে ছিটকে পড়ে সে ওই মটর ভ্যানের চাকা তার বুকের উপর দিয়ে চলে যায়। এতে সে রাস্তায় ঘেঁষা খেয়ে মারাত্মক আহত হন। তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। এরপর তার শারীরিক অবস্থা দেখে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে সাতক্ষীরায় ভর্তি করার পরামর্শ দেয়।

পরবর্তীতে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে দেখানো হলে তাকে খুলনা ২৫০ শয্যা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন। কিন্তু পরিস্থিতি খারাপ দেখে পরিবারের লোকজন তাকে সাতক্ষীরা শহরেই ফারজানা ক্লিনিকে ভর্তি করেন। পরে পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে জানা যায় তার পেটের নাড়ি ফেটে গেছে। সেখানে তার অপারেশন হয়। অপারেশন পরবর্তী চার মাসের মত তিনি সুস্থ ছিলেন। কিন্তু বর্তমানে তার অবস্থা খুবই মারাত্মক। যন্ত্রণায় কাতরাতে কাতরাতে প্রতিটি রাত পার করতে হয় শাহাজানকে। অস্বাভাবিকভাবে পেট ফুলে জ্বালা যন্ত্রণা শুরু হয়েছে।

অপারেশন পরবর্তী এমন অবস্থা সম্পর্কে ডা. মনোয়ার হোসেন বলেন, ‘অপারেশনের জায়গায় ইনফেকশন হয়েছে। এরপরেও হার্নিয়া অপারেশন করতে হবে। যা প্রায় ৪০ হাজার টাকার মত খরচ হবে’।

এমতাবস্থায় আম্পানে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার দিনমজুর অসহায় পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি হওয়ায় চিকিৎসার টাকা জোগাড় করতে ব্যর্থ হচ্ছে তার পরিবার। এছাড়া তার এলাকা আম্পান কবলিত হওয়ায় প্রতিবেশীদের কাছ থেকে কোনো সহযোগিতা পাচ্ছে না। এজন্য সমাজের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহযোগিতা চেয়েছেন তিনি। শাহাজানের পরিবারের সাথে কথা বলতে ও সহযোগিতা পাঠাতে (০১৮৯১-৮২৭৯০৭) অনুরোধ জানিয়েছেন তার বৃদ্ধা মা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *