ঢাকাThursday , 9 July 2020
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

দেবহাটায় পরিবারের সবাইকে অচেতন করে লুট

বিশেষ প্রতিনিধি ঢাকা
আপডেট: 9 July 2020, 21:18

নিজস্ব প্রতিনিধি : দেবহাটা উপজেলায় একই পরিবারের ছয় সদস্যকে অচেতন করে লুটের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার গভীর রাতে উপজেলার কামটা গ্রামের মৃত আনন্দ চক্রবর্তীর ছেলে হারাণ চক্রবর্তীর বাড়িতে এ লুটের ঘটনা ঘটে। বৃহস্পতিবার সকালে হারান চক্রবর্তীর বোন রেখা চক্রবর্তীর জ্ঞান ফিরলে তার চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এসে পরিবারের অন্য সদস্যদের উদ্ধার করে গ্রাম্য ডাক্তার দিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করা হয়।

এ ঘটনায় চেতনা হারিয়ে অসুস্থ হওয়া পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা হলেন, হারান চক্রবর্তীর মা নিহার চক্রবর্তী, স্ত্রী অঞ্জনা চক্রবর্তী, মেয়ে পাপিয়া চক্রবর্তী।

ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্য রেখা চক্রবর্তী জানান, ‘বুধবার রাত আটটার দিকে হঠাৎ বাড়িতে গ্যাস জাতীয় দ্রব্যের গন্ধ বের হতে থাকে। এ সময় পরিবারের সদস্যরা এদিক-ওদিক খোঁজখবর নিলে কোন কিছু দেখতে না পেয়ে রাতের খাবারের জন্য প্রস্ততি নেয়। খাওয়ার পর সবাই নিজ নিজ ঘরে আসার পর অচেতন হয়ে পড়েন। পরদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে ঘরের দরজা খোলা দেখতে পায় সে। এরপর ঘরের ভিতরে থাকা টিনের বাক্স, শোকেস, আলমারি খোলা দেখে চমকে উঠে। তার চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে আসে। তখনও পাশের ঘরে তার পরিবারের বাকি সদস্যরা অচেতন হয়ে পড়ে থাকলে এক গ্রাম্য ডাক্তারকে খবর দেওয়া হয়। ওই ডাক্তার এসে সকল প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করেন’।

তিনি আরও জানান, ‘দুষ্কৃতিকারীরা ঘরে থাকা স্বর্ণালংকার, নগদ ৫০ হাজার টাকাসহ মূল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে গেছে’। এ সময় তিনি উল্লেখ্য করে বলেন, ‘গত দুইদিন আগে দুইজন ব্যক্তি লেবুবাগান কেনার নামে তাদের বাড়িতে আসেন। ওই ব্যক্তিরা বাগান কেনার জন্য আসলেও বাড়ির চারপাশ ভালোভাবে লক্ষ করে। বিষয়টি পরিবারের সবার কাছে সন্দেহজনক মনে হচ্ছে’।

এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য নির্মল কুমার মন্ডল জানান, ‘ঘটনার খবর পেয়ে আমি তাদের বাড়িতে গিয়ে সার্বিক বিষয়ে খোঁজ নিয়েছি। পরিবারের সদস্যরা সুস্থ হলে আইনের আশ্রয় নেওয়া হবে। বিষয়টি আমি দেবহাটা থানার ওসি মহোদয়কে অবহিত করেছি’।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *