ঢাকাSaturday , 20 June 2020
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

শ্যামনগরের কাশিমাড়ীতে ভাঙন কবলিত সড়কের উপর সাঁকো নির্মাণ

বিশেষ প্রতিনিধি ঢাকা
আপডেট: 20 June 2020, 20:51

এস এম মোস্তফা কামাল,শ্যামনগর : শ্যামনগর উপজেলার কাশিমাড়ীর খোলপেটুয়া নদীর বাঁধ ভেঙে প্লাবিত পিচ ঢালা সড়কের উপর সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে। পথচারীরা প্রবল স্রোতের উপর সাঁকো দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বয়স্ক, নারী,শিশুসহ জনসাধারণ পারাপার হচ্ছে। চলাচলের অসুবিধা বিবেচনায় পথচারীদের ক্ষণিকের জন্য হলেও স্বস্তি ফিরে এনেছেন স্থানীয়দের সহায়তায় ইউপি চেয়ারম্যান এসএম আব্দুর রউফ।

ঘূর্ণিঝড় আম্পানে খোলপেটুয়া নদীর কাশিমাড়ীর ঝাপালী অংশের পাউবোর বেড়ি বাঁধ ভেঙে কাশিমাড়ী সহ পার্শ্ববর্তী কালিগঞ্জের কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের অনেক গ্রাম, খাল বিল, পথঘাট, ঘরবাড়ি ও মৎস্য ঘের প্লাবিত হয়। প্রতিদিন জোয়ারের পানিতে নতুন নতুন এলাকায় পানি প্রবেশ করে গোটা এলাকা পানিতে টইটম্বুর অবস্থা বিরাজ করছে। শ্যামনগর-ঝাপালী সড়কের (মেইন রোড) একাধিক স্থান পানিতে তলিয়ে যায়। মেইন রাস্তার উপর দিয়েও পানি জোয়ার-ভাটা খেলেছে। এতে পিচের রাস্তার ছাল চামড়া উঠে গিয়ে বড় বড় খানা খন্দের সৃষ্টি হওয়া সহ চরম ভোগান্তিতে পড়ে পথচারীরা।

এমতাবস্থায় বিরাজমান থাকায় পথচারীদের চলাচল অসম্ভব ও কষ্টকর হয়ে পড়ে। মানুষের দুর্দশা লাঘবে পূর্ব কাশিমাড়ীর ফালাহ মসজিদ সংলগ্ন থেকে ইউপি চেয়ারম্যান আ: রউফের বাড়ি পর্যন্ত প্রায় ১০০ফুট পিচ ঢালা ঝাপালী সড়কে স্থানীয় ব্যক্তিদের সহায়তায় বাঁশের সাঁকো তৈরি করেন। ঝাপালী নামক স্থানে সাঁকো তৈরি করে প্রত্যহ হাজার হাজার লোক যাতায়াত করছে। কাশিমাড়ীর ভাঙন অংশ দিয়ে গোটা এলাকায় লবণ পানি প্রবেশ করেছে। স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে এলাকাবাসীদের সাথে নিয়ে দীর্ঘ ১কিলোমিটার রিং বাধ দিতে সক্ষম হলেও নদীর অতিরিক্ত জোয়ারের পানিতে কয়েক দফায় কাজ করেও শেষ পর্যন্ত সব শ্রম ব্যর্থ হয়। ব্যস্ততম এই সড়ক দিয়ে প্রতিনিয়ত যাতায়াত কারী পথচারীদের কষ্ট কিছুটা লাঘবের জন্য শেষ পর্যন্ত বাঁশ ও গাছ দিয়ে এই সাঁকো নির্মাণ করেছে। ফলে মানুষ এখন সড়কের উপরের পানি পার হয়ে যাতায়াত করতে পারছে।

স্থানীয় আবুল হাসান জানান, আরেকটি সাঁকো হলে জনগণের দুর্ভোগ অনেকটা লাঘব হবে, কেননা সাঁকো দিয়ে পারাপারের সময় লোকদের অপেক্ষা করতে হয়।

ইউপি চেয়ারম্যান এস,এম,আব্দুর রউফ জানান, জোয়ার ভাটার পানি বন্দ হলে রাস্তাটি দ্রæত সংস্কারের সম্ভব হবে, যা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *