ঢাকাFriday , 12 June 2020
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

পশ্চিম সুন্দরবনে ফের বেপরোয়া বনদস্যু : ৭ লক্ষ টাকা মুক্তিপন চেয়ে ২ জেলেকে জিম্মি

বিশেষ প্রতিনিধি ঢাকা
আপডেট: 12 June 2020, 21:00

নূরুন্নবী ইমন, সুন্দরবন অঞ্চল প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার পশ্চিম সুন্দরবনে ফের বেপরোয়া হয়ে উঠেছে বনদস্যু বাহিনী। বিগত সময় বাংলাদেশ সরকারের উদ্দ্যোগে, প্রশাসনের কঠোর প্রচেষ্টায় পশ্চিম সুন্দরবন থেকে বনদস্যু নির্মূল হওয়ার পরে জেলে বাওয়ালীদের মাঝে স্বস্তি ফিরে আসে। কিছুদিন তারা শান্তিপূন্ন ভাবে মাছ, কাঁকড়া ধরে জীবিকা নির্বাহ করে আসছিল। কিন্তু পশ্চিম সুন্দরবনে বন-দস্যুরা বনে প্রবেশ করে হঠাৎ করে আবারও বেপরোয়া হয়ে উঠে পূর্বের ন্যায় তান্ডব চালিয়ে মুক্তিপন আদায় করছে বলে জানায় একাধিক জেলে বাওয়ালিরা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ভুক্তভোগী জেলেরা জানায়, ‘বর্তমান সময়ে পশ্চিম সুন্দরবনে আধিপত্য বিস্তার করছে জিয়া বাহিনী ও তার অপর সহযোগী সেলিমসহ সর্বমোট ৪ জন। তাদের কাছে উন্নত মানের চারটি অস্ত্র আছে বলেও জানান ওই জেলেরা’। তারা জানায়, ‘জিয়ার বাড়ি শ্যামনগর উপজেলার গাবুরায় এবং সেলিমের বাড়ি রামপাল। বর্তমানে তারা ভারতে বসবাস করে বাংলাদেশের পশ্চিম সুন্দরবনে দস্যুতা করছে’।

উল্লেখ্য, ‘বিগত চার দিন আগে কৈখালী ফরেস্ট স্টেশন থেকে পাশ পারমিট নিয়ে উপজেলার বড় ভেটখালী গ্রামের জব্বার সানার পুত্র মজিদ সানা (৪৫), পার্শ্বেখালী গ্রামের আকবার হোসেনের পুত্র আব্দুল্লাহ (২২), একই এলাকার আজগারের পুত্র মিজানুর, মৃত খালেক গাজীর পুত্র আলামিন (৩০), মৃত আনছার শেখের পুত্র মুনসুর আলী শেখ (৫০), আনিছ শেখের পুত্র হোসেন শেখ (২৫), মৃত রহিম গাজীর পুত্র মো. শহিদ গাজী (৫০), সুন্দরবন খালপাড়ার নুর ইসলামসহ ১০ জন জেলে পশ্চিম সুন্দরবনে প্রবেশ করে।

গত বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে পশ্চিম সুন্দরবনের রায়মঙ্গল তালপট্টি ছায়ার বড় খাল নামক স্থান থেকে বনদস্যুরা তাদের জিম্মি করে। পরবর্তীতে মজিদ এবং আব্দুল্লাহকে জিম্মি রেখে ৭ লক্ষ টাকা মুক্তিপন দাবি করে অপর ৮ জনকে ছেড়ে দেয়। ফেরত আসা জেলেরা বৃহস্পতিবার রাতে বাড়িতে আসে।

ফেরত আসা জেলেরা জানায়, ‘বনদস্যু বাহিনী নিজেদেরকে জিয়া বাহিনী পরিচয় প্রদান করেছে। উক্ত দলের আরও সদস্য সেলিম, বুলবুল ও মাসুদ’।

এ বিষয়ে কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোনের অপারেশন অফিসার লে. এমতিয়াজ আলম বলেন, ‘আমাদেরকে অফিশিয়াল ভাবে কেউ অভিযোগ করেনি। আপনার কাছ থেকে সর্ব প্রথম শুনলাম। অভিযোগ পেলে বিষয়টি দেখা যাবে’।

র‌্যাব-৬ মুন্সিগঞ্জ ক্যাম্পের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘এবিষয়ে আমাদের কাছে কেউ অভিযোগ করেনি। বিষয়টি আমাদের জানার বাইরে’।

এমতাবস্থায় পশ্চিম সুন্দরবন থেকে বনদস্যু জিয়াবাহিনীকে নির্মূলসহ জিম্মিকৃত জেলেদ্বয়কে উদ্ধারের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগী জেলেসহ বনজীবিরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *