ঢাকাWednesday , 10 June 2020
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

দেবহাটায় সাংবাদিকদের উপর হামলার অভিযোগ

বিশেষ প্রতিনিধি ঢাকা
আপডেট: 10 June 2020, 22:19

নিজস্ব প্রতিনিধি: দেবহাটায় যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার অনিয়মের সংবাদ সংগ্রহ কালে সাংবাদিকদের উপর হামলা চালিয়ে ক্যামেরা ভেঙে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছে। সংবাদ সংগ্রহকালে কর্মরত সংবাদকর্মীদের উপর হামলার বিষয়টি খুবই ন্যাক্কার জনক বলে দুঃখ প্রকাশ করেন রাজনৈতিক ও সামাজিক বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা।

জানা গেছে, দেবহাটায় ৭ম পর্বে শুরু হয় ন্যাশনাল সার্ভিস কার্যক্রম। তারই অংশ হিসাবে দেবহাটায় ২টি ব্যাচে ভাগ করা হয় ন্যাশনাল সার্ভিসের কার্যক্রম। আর এই কর্মসূচির সুবিধাভোগীদের সঞ্চয়ী টাকা ছাড় করতে গেলে তাদের ফাইল আটকে কৌশলে টাকা আদায়ের অভিযোগ ওঠে। এ বিষয়ে তথ্য নিতে কর্মকর্তার কার্যালয়ে গেলে কর্মরত সাংবাদিকদের লাঞ্ছিত করার পাশাপাশি হামলা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। একই সাথে হামলা ও কর্মকর্তার দুর্নীতি ঢাকতে ৪থ শ্রেণির কর্মচারী আব্দুর রশিদকে দিয়ে মিথ্যা নাটক সাজিয়ে অপপ্রচারে নেমেছে দুর্নীতি পরায়ণ কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম।

হামলার শিকার এক সংবাদকর্মী জানান, দুর্নীতির অভিযোগ পেয়ে বুধবার বেলা ১২টার দিকে যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ে তথ্য নিতে গেলে ক্যামেরা দেখে উত্তেজিত হয়ে অকথ্যা ভাষা ব্যবহার করতে থাকে কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম। এমনকি তার অনিয়মের কথা বলতেই চেয়ার থেকে উঠে এসে আমার উপর হামলা করে।

এসময় আমার সহকর্মীরা বাধা দিলে তাদের উপরও হামলা চালানো হয়। হামলা চালিয়ে তিনি ক্ষ্যান্ত হননি। বরং উত্তেজিত হয়ে তার চেয়ারের দাপট দেখিয়ে বলতে থাকে তার অফিসে সাংবাদিকদের আসা নিষেধ। এখানে যা হবে তার ইচ্ছা খুশি মত হবে। সাংবাদিকরা যা পারে তাই করুক। সে উচ্চ স্বরে কর্মচারীদের ডেকে কর্মরত সাংবাদিকদের তার কক্ষে আটকে রাখার হুমকি দিতে থাকেন।

এবিষয়ে দেবহাটা প্রেসক্লাবের সভাপতি আব্দুর রব লিটু জানান, কালিগঞ্জ উপজেলার যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম দেবহাটায় অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি দায়িত্ব নেওয়া থেকে বিভিন্ন ব্যক্তি অনিয়মের অভিযোগ করে আসছে। সেই সুত্র ধরে অভিযোগের ভিত্তিতে বুধবার যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার অফিসে কর্মরত সাংবাদিকরা গেলে অসৌজন্য আচরণ করার পাশাপাশি সাংবাদিকদের শারীরিক ভাবে লাঞ্ছিত করেছে। যেটি সম্পূর্ণ দুঃখজনক।

তবে অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কামরুল ইসলামের সাথে যোগাযোগের করা হলে তিনি ঘটনা অসত্য বলে দাবি করেন।
বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাজিয়া আফরিনকে জানানো হলে তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, তার বিরুদ্ধে আমার কাছে অনেকেই অভিযোগ করেছেন। আমি বিষয়টি তদন্ত করছি। সত্যতা পেলেই সংশ্লিষ্ট বিভাগকে বলে ব্যবস্থা নেব।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *