দেবহাটায় ঋষি পরিবারের জমি প্রতারণা করে মুহুরির নিজ নামে অর্ন্তভূক্ত করার অভিযোগ!
দেবহাটা প্রতিনিধি: দেবহাটায় এক ঋষি পরিবারের ইজারাভূক্ত ভোগদখলীয় জমি সেটেলমেন্ট অফিসের মুহুরি আবুল কালামের তার নিজের নামে অর্ন্তভূক্ত করে নিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তাই পুন:রায় জমি ফিরে পেতে অসহায় ঋষি পরিবারের পক্ষে বসন্তপুর গ্রামের মৃত হরিপদ ঋষির ছেলে মহাদেব ঋষি বাদি হয়ে দেবহাটা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে ও মহাদেব ঋষি জানায়, উপজেলার বসন্তপুর মৌজার ১৪৮ খতিয়ানে ২৩১ দাগে ৩৩ শতক সরকারি জমি নিয়ম মোতাবেক ইজারা গ্রহন করেন তার পরিবার। ১৯৭৩ সাল থেকে উক্ত জমিতে বসতবাড়ি নির্মানের পাশাপাশি ফসলের আবাদ, মৎস্য চাষ করে আসছিল তারা। কিন্তু গত কয়েক বছর পূর্বে আমার ভাই অভিলাস ঋষি ভারতে চলে যায়।
আমি মূর্খ তাই আইন সম্পর্কে খুবই অজ্ঞ। তাই প্রতিবছর খাজনা দেওয়ার বিষয়ে জানা ছিল না। সে জন্য ভাই চলে যাওয়ার পর নতুন করে নবায়ন না করে পূর্বের মত ঐ জমি ভোগদখল করে আসছিলাম। এর মধ্যে ২০১২ সালে উপজেলা ভূমি অফিস থেকে ১৯৭৪ সালের ইজারা নবায়নের নোটিশ করে। আমরা ঐ জমি নবায়ন করার জন্য আমাদের এলাকার আবুল কালাম নামের এক ব্যক্তির কাছে যায়। যিনি সেটেলমেন্ট অফিসে মুহুরি। আমরা তার কাছে গেলে তিনি বিষয়টি সমাধান করে দেবে বলে জানান।
আর এ কাজের জন্য ১০ হাজার টাকা খরচ হবে বলেও জানায়। আমি অনেক কষ্টে দুই দফায় ঐ টাকা পরিশোধ করি। টাকা নিয়ে নবায়নের পরিবর্তে মুহুরি আমাদের সাথে তালবাহানা শুরু করেন। একপর্যয়ে মুহুরি আবুল কালাম ৩৩ শতকের ভিতর ২৫ শতক তার নামে এবং আমার নামে ৮ শতক নবায়ন করেন।
এ বিষয়টি নিয়ে জানতে গেলে উল্টো হুমকি দিয়ে তাড়িয়ে দিচ্ছেন আবুল কালাম। আমাদের সরলতার সুযোগ নিয়ে যে প্রতারণা করেছে তা স্থানীয় বহু মানুষ জানেন। তাই আমাদের সাথে এমন প্রতারণার শাস্তির পাশাপাশি উক্ত ৩৩ শতক জমি ফিরিয়ে দিয়ে সরকারের নিয়ম মোতাবেক যাতে ভোগ দখল করতে পারি সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

Leave a Reply