ঢাকাWednesday , 27 May 2020
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

খাজরায় স্বেচ্ছাশ্রমে ঝুঁকিপূর্ন বাধ সংস্কার শুরু: টেকশই বাধ নির্মানের দাবি

বিশেষ প্রতিনিধি ঢাকা
আপডেট: 27 May 2020, 18:52

খাজরা (আশাশুনি) প্রতিনিধি : আশাশুনির খাজরায় করোনা ভাইরাস আতঙ্কের মধ্যে নদী ভাঙনের ফলে ভিটামাটি হারানোর শংকায় দিন কাটাচ্ছেন ইউনিয়নবাসী। কপোতাক্ষ নদ ও খোলপেটুয়া নদীর ঝুঁকিপূর্ণ বেড়িবাধ ঝুঁকিপূর্ন বাধ ভাঙনের ফলে শেষ সম্বলটুকু হারাতে বসেছে তারা। নিরুপায় হয়ে অস্থায়ীভাবে স্বেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে বাধ সংস্কারের কাজ শুরু করেছেন স্থানীয়রা।

বুধবার (২৭ মে) সকাল থেকে সাতক্ষীরা ৩ আসনের সংসদ সদস্য ডা. আ.ফ.ম রুহুল হক এমপির দিকনির্দেশনায় আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীর আলিফ রেজার নির্দেশে ও খাজরা ইউপি চেয়ারম্যান শাহনেওয়াজ ডালিমের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় খাজরা, রাউতাড়া, পিরোজপুর, কাপসন্ডা গ্রামের শতাধিক বাসিন্দা স্বেচ্ছাসেবীর মাধ্যমে ফসলী জমি, মৎস্য ঘের, গাছপালা, বাড়িঘর রক্ষা করতে নিজেরাই স্বেচ্ছাশ্রমে খাজরা বাজার সংলগ্ন বিনয় মন্ডলের বাড়ি থেকে তোফাজ্জেল মোড়লের সøুইজ গেট পর্যন্ত পানি উন্নয়ন বোর্ডের ৭/২ নং পোল্ডারের প্রায় ৬শ ৫০ফুট মারাত্বক ঝুকিপূর্ণ বাধ সংস্কারের কাজ শুরু করে। ঝুকিপূর্ণ বাধের ভাঙন রোধে অব্যবহৃত বøক, মাটি, গাছের ডালপালা ব্যবহার করা হচ্ছে।

এ সময় খাজরা ইউপি প্যানেল চেয়ারম্যান মো. জালাল মোড়ল, ইউপি সদস্য অনুপ কুমার, আনারুল ইসলাম, কবির হোসেন, গ্রাম পুলিশসহ স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ সংস্কারের কাজে সহযোগীতা করেন।

উল্লেখ্য, গত ২০ মে রাতে প্রলয়ংকারী ঘূর্ণিঝড় আম্পানের প্রভাবে কপোতাক্ষ নদ ও খোলপেটুয়া নদীতে অস্বাভাবিক জোয়ারের ফলে ইউনিয়নের তিনটি পয়েন্টে বেড়িবাধ মারাত্বক ঝুকিপূর্ন হয়ে পড়েছে। নদী পাড়ের বাসিন্দা দীপক সানা ও অরুন মন্ডল জানান, খাজরা ইউনিয়নের খাজরা বাজার, হরিমর্দনের ¯øুইজ গেট, দক্ষিণ গদাইপুর এই তিনটি পয়েন্টে পানি উন্নয়ন বোর্ডের ওয়াপদার বেড়িবাধ মারাত্বক ঝুকিপূর্ণ।

সরকারিভাবে যদি এই বাধগুলো টেকশই ও স্থায়ীভাবে ভাঙনরোধ না করা হয় তবে খাজরা ইউনিয়নে অনেক ক্ষতির সম্মুখিন হতে হবে। ভাঙন থেকে খাজরা ইউনিয়নবাসীদরকে বাঁচাতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের দ্রæত পদক্ষেপ নেওয়ার প্রত্যাশা করছেন অসহায় গ্রামবাসীরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *