নিজস্ব প্রতিনিধি : প্রতিবন্ধী মালেক গাজী বলেন, সারাদিন ভিক্ষা করে বেড়াই মহামারি করোনার জন্য রাস্তায় বের হতে পারি না। সারাদেশের মত সাতক্ষীরা জেলায় সব দোকান পাট বন্ধ। কাছে কোন টাকা পয়সা নাই তার মধ্যে আবার সামনে ঈদ। অভাব অনাটনের মধ্যে দিন পার হচ্ছে, কীভাবে সংসার চালাবো ভেবে পাচ্ছি না। ঘরে কোন চাল ডাল নেই ও সিমাই চিনি কেনার সামর্থ্য নাই। কীভাবে চলব কোন চিন্তা করতে পারছি না।
হঠাৎ করে পারভেজ ভাই একটা স্লিপ দিয়ে বলল ১ দিন পরে দেখা করো। আজকে দেখা করতে আসলে তিনি নগদ টাকা, ঈদ উপহার ও খাদ্য সামগ্রী দিয়েছেন। এই গুলো পেয়ে অনেক খুশি হয়েছি। ঈদের সময় আর সেমাই চিনি কেনা লাগবে না। ছেলে মেয়েরা ভালে ভাবে খেতে পারবে। এই কথা গুলো প্রতিবন্ধী মালেক গাজী দু:খের সাথে সাংবাদিকদের সাথে বলছিলেন।
নগদ অর্থ পাওয়া প্রতিবন্ধী রাবেয়া খাতুনের স্বামী জানান, অনেক কষ্ট করে সংসার চালায় আমি। আমার স্ত্রী প্রতিবন্ধী হওয়ায় সংসারে অনেক খরচ । সারাদিন ভ্যান চালিয়ে ২ থেকে ৩শ টাকা ইনকাম করি। এতে কি আর সংসার চলে। যুবলীগের পক্ষ থেকে নগদ অর্থ ও ত্রাণ সামগ্রী পেয়ে সংসারটা ভালো ভাবে চলে যাবে।
“কেন্দ্রীয় যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে হাসান পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাঈনুল হোসেন খান নিখিলের নির্দেশনায়” জেলা যুবলীগের উদ্যোগে সোমবার (১৮ মে) সকাল ১০টায় সদর উপজেলা সংলগ্ন যুবলীগের কেন্দ্র থেকে ৩শ প্রতিবন্ধীদের মাঝে ঈদ উপহার, নগদ অর্থ ও খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন যুবলীগ নেতা ও সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা জি এম ওয়াহিদ পারভেজ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক জহিরুল হক নান্টু, সদর উপজেলার যুবলীগের সভাপতি মো. মিজানুর রহমান মিজান, পৌর যুবলীগের সাবেক আহ্বায়ক শেখ আব্দুল হালিম, সাবেক জেলা ছাত্রলীগ নেতা রেজাউল ইসলাম রেজা, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা আব্দুল গালিব, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা আলমগীর হোসেন, সাবেক ছাত্র নেতা তানভীর কবির রবিন, যুব নেতা আব্দুল্যাহ আল মামুন, ছাত্র নেতা আশিক রেজা অপু, ছাত্র নেতা শেখ আসিফ মাহমুদ (মমিন) প্রমুখ।
জি এম ওয়াহিদ পারভেজ জানান, গত ১৮ মার্চ হতে মহামারি করোনায় জেলা লক ডাউন হলে জেলা যুবলীগের উদ্যোগে অসহায়, খেটে খাওয়া ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে খাদ্য বিতরণ করা হয় এখনও পর্যন্ত খাদ্য বিতরণ অব্যাহত রয়েছে। সাতক্ষীরা জেলায় মহামারি করোনা পুরোপুরি শেষ না হওয়া পর্যন্ত জেলা যুবলীগের পক্ষ থেকে খাদ্য সামগ্রী দেওয়া হবে।
