ঢাকাSunday , 17 May 2020
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

সাতক্ষীরায় মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

বিশেষ প্রতিনিধি ঢাকা
আপডেট: 17 May 2020, 19:07

ডেস্ক রিপোর্ট : সাতক্ষীরায় এসিড অপরাধ দমন আইনের মামলার চার্জশিটভূক্ত আসামী শাহাদাত হোসেন কর্তৃক বাদিসহ তার পরিবারের সদস্যদের নামে থানায় মিথ্যা দোকানঘর পোড়ানোর মামলা দিয়ে হয়রানি করার অভিযোগ উঠেছে। রবিবার (১৭ মে) দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন সদর উপজেলার ধুলিহার ইউপির জাহানাবাজ গ্রামের মোন্তাজ সরদারের ছেলে মো. আফজাল হোসেন।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, সাতক্ষীরা সদর উপজেলার জাহানাবাজ গ্রামের মৃত বাবর মন্ডলের ছেলে মো. শাহাদাত হোসেনের সাথে পারিবারিক বিষয় নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আমাদের বিবাদ চলে আসছে। সে কারনে শাহাদাত হোসেন বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ভাবে আমাদেরকে হয়রানি ও ক্ষয়ক্ষতি করার চেষ্টা চালিয়ে আসছিল।

এরই ধারাবহিকতায় শাহাদাত হোসেন ২০০৮ সালের ১৬ অক্টোবর রাতে বাড়িতে ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় আমার বোন শারমিন অক্তার ও মাতা মর্জিনা খাতুনের উপর এসিড নিক্ষেপ করে। এতে তারা দুইজনই মারাত্মকভাবে দগ্ধ হয়। এ ঘটনায় আমার বাবা মোন্তাজ সরদার বাদি হয়ে সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করলে পুলিশ তদন্ত করে শাহাদাতের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে। মামলাটি বর্তমানে বিচারধীন রয়েছে।

আফজাল হোসেন আরো বলেন, গত ১০ জানুয়ারী রাতে আমাদের বাড়িতে দুঃসাহসিক চুরি সংঘটিত হয়। চোরেরা স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকাসহ লক্ষাধিক টাকার মালামাল নিয়ে যায়। এঘটনায় আমি নিজে বাদি হয়ে ১৩ জানুয়ারী অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করি। মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা এসআই হাসান চলতি মে মাসের প্রথম সপ্তাহে ঘটনার তদন্তে জাহানাবাজ গ্রামে আসেন এবং চুরির বিষয়ে উল্লেখিত এসিড সন্ত্রাসী শাহাদাত হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন।

চুরির ঘটনায় ধরা খাওয়ার ভয়ে নিজেকে রক্ষা করতে গত ৭ মে রাতে শাহাদাত পরিকল্পিতভাবে তার একটি পরিত্যাক্ত দোকান ঘয়ে অগ্নিসংযোগ করে থানায় আমাদের নামে একটি মিথে অভিযোগ দাখিল করে।

এসময় সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ঘটনাটি তদন্ত করতে স্থানীয় ব্র²রাজপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই হেদায়েত হোসেনকে দায়িত্ব দেন। তিনি তদন্ত করে ঘটনাটি মিথ্যে এবং সাজানো বলে প্রমান পান। বিষয়টি জানতে পেরে সুচতুর শাহাদাত হোসেন গোপনে ফের থানায় আরেকটি মিথে অভিযোগ দিয়ে পুলিশ কর্মকর্তাকে ভুল বুঝিয়ে আমাদের নামে মামলা রেকড করায়।
এঘটনার পর এসিড সন্ত্রাসী শাহাদাত আরো মিথ্যে মামলা দিয়ে আমাদেরকে হয়রানি করবে বলে হুমকি দিচ্ছে। তিনি ঘটনার সঠিক তদন্তপূর্বক মিথ্যে মামলার দায় থেকে সকল আসামীদের অব্যহতি প্রদানের পাশাপাশি এসিড সন্ত্রাসী শাহাদাত হোসেনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *