সাতক্ষীরায় মোবাইল কোর্টের ম্যাজিস্ট্রেটদের সুরক্ষা সামগ্রী প্রদান
নিজিস্ব প্রতিবেদক: সাতক্ষীরা জেলায় করোনা রোগী পাওয়া যাওয়ায় রমজান মাসে বাজার মনিটরিং ও বাজারে ক্রেতা-বিক্রেতাদের স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালন মনিটরিং করার কাজে নিয়োজিত এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও বেঞ্চ সহকারীদের ব্যক্তিগত সুরক্ষার জন্য ব্যক্তিগত সুরক্ষা সামগ্রী প্রদান করা হয়। আজ বুধবার সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক এস এম মোস্তফা কামাল এসব প্রদান করেন।
এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটরা বলেন, বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (ডিসি) সবসময় এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটদের বিভিন্ন অভিযান ও স্বাস্থ্যের খোঁজখবর রাখেন। করোনা পরিস্থিতিতে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটদের করণীয় সম্পর্কে নিয়মিত ব্রিফ করে আসছেন।
কোভিড-১৯ জেলার পরিস্থিতি: সাতক্ষীরা থেকে করোনা টেস্টের জন্য এ পর্যন্ত ৪৯২ জনের নমুনা পাঠানো হয়েছে। ৩২৯ জনের রিপোর্ট পাওয়া গেছে। ১৬৩ জনের রিপোর্ট শীঘ্রই পাওয়া যাবে। এদের মধ্যে ৩ জনের করোনা পজিটিভ পাওয়া গিয়েছে। সাতক্ষীরা সদরে ১ জন, দেবহাটায় ১ জন এবং তালায় ১ জন করোনা পজিটিভ পাওয়া গিয়েছে। তাদের মধ্যে দুজন নিজ বাড়িতে আছেন এবং অপরজন প্রাতিষ্ঠানিক আইসোলেসনে আছেন।
করোনা চিকিৎসা চিত্র: সাতক্ষীরাতে সরকারি চিকিৎসা কেন্দ্র রয়েছে ৮ টি এবং বেসরকারি চিকিৎসা কেন্দ্র রয়েছে ২৪ টি । সরকারি চিকিৎসা কেন্দ্রে বেডের সংখ্যা ৬৩১ টি এবং বেসরকারি চিকিৎসা কেন্দ্রে বেডের সংখ্যা ৪২০ টি । কোভিড-১৯ চিকিৎসায় প্রস্তুতকৃত বেড ৫৪ টি । সাতক্ষীরাতে সরকারি ডাক্তারের সংখ্যা ১২৩ এবং বেসরকারি ডাক্তার ১৩০ জন ও সরকারি নার্সের সংখ্যা ২৮৯ জন এবং বেসরকারি নার্সের সংখ্যা ২৪০ জন্ । ব্যক্তিগত সুরক্ষা সামগ্রী (পিপিই) মোট ৬২৩৬ টি হতে ৪৫৯৪ টি বিতরণ করা হয়েছে।
চিকিৎসা সরঞ্জাম: কোভিড-১৯ আক্রান্ত ব্যাক্তির চিকিৎসায় ০৩ টি এ্যাম্বুলেন্স সার্বক্ষণিক প্রস্তুত আছে, ৮ টি ভেন্টিলেশন সম্প‚র্ণ প্রস্তুত করা হয়েছে, ২০ অক্সিজেন সিলিন্ডার এবং ২০ টি নেবুলাইজার প্রস্তুত রয়েছে। সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে করোনা হাসপাতাল হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে করোনা হাসপাতাল হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়া, চিকিৎসকদের কোয়ারেন্টাইনের জন্য মোজাফফর গার্ডেন রিসোর্টকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
হোম ও প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারিন্টিন চিত্র: প্রথম পর্যায়ে, ১ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত ভারতসহ বিশ্বের নানা দেশ থেকে আগত ১১,২৫৫ জন মানুষকে জেলা প্রশাসন, জেলা পুলিশ, স্বাস্থ্য বিভাগ, স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও সেচ্ছাসেবীদের সমন্বয়ে হোম কোয়ারিন্টাইন নিশ্চিত করা হয়েছিল।
পরবর্তীতে, দেশের করোনা আক্রান্ত ৭ টি জেলা থেকে ২০ হাজারের অধিক শ্রমজীবী লোক সাতক্ষীরা জেলায় আসেন। তাদের মধ্যে ১৫০০০ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইন এবং ৩০৯৬ জনকে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করা হয়েছে।

Leave a Reply