ঢাকাMonday , 11 May 2020
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

আশাশুনিতে জমি দখল করে ঘর নির্মাণের অভিযোগ

বিশেষ প্রতিনিধি ঢাকা
আপডেট: 11 May 2020, 19:14

নিজস্ব প্রতিনিধি: করোনার কারণে ঢাকায় আটকা পড়া পরিবারের সাতক্ষীরার আশাশুনিরর দীঘলারআইট গ্রামের জমি জোর পূর্বক দখল করে ঘর নির্মাণ করার অভিযোগ উঠেছে।
আশাশুনি উপজেলার চাকলা গ্রামের মজিবর হোসেনের ছেলে আনোয়ার ঢালী অভিযোগ করে বলেন, ২০১৬ সালে চাকলা গ্রামের তেলিখালী মৌজায় জেল নং ১৫৮, এস এ খতিয়ান ২১১ সাবেক এস এ দাগ ২১৪, হাল ৭২৯, সাবেক এস এ দাগের ২১৩ এর ২ বিঘা জমি দীঘলারআইট গ্রামের অহেদ জোয়াদ্দারের ছেলে আকবার জোয়াদ্দারের কাছ থেকে ক্রয় করি। কিন্তু ৩২ শতক জমি দখলে থাকলেও অপর ৩২শতক জমি নিয়ে সাথে জমি নিয়ে বিরোধ দেখা দেয় আকবার জোয়াদারের সাথে। তিনি ২ বিঘা জমির টাকা নিলেও ৩২ শতক জমির দখল দিলে বাকি ৩২ শতক জমি আমাকে বুঝিয়ে দেয়নি। এ বিষয়ে গ্রামের শালিসে কোটের রায় না পাওয়া পর্যন্ত দুই পক্ষকে জমিতে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

তিনি আরও বলেন, করোনা পরিস্থিতির কারণে ঢাকায় আটকে আসে সেই সুযোগে অমিমাংসিত জমিতে জোর করে বাড়ি নির্মাণ কাজ চলছে আকবর জোয়াদ্দার গং। গ্রামের বাড়িতে থাকা আমার সন্তানরা বিষয়টি বাধা দিতে দিলে তাদের জীবন নাশের হুমকি। এ বিষয়ে প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

অভিযোগের বিষয়ে আকবার জোয়াদ্দারের বলেন, আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উঠেছে সেটা সত্যি নয়। আমি তার কাছে কোন জমি বিক্রি করিনি। আমার অন্যান্য শরিকরা বিক্রি করেছে। তাদের কাছ থেকে সেটা বুঝে না নিয়ে আমার সাথে বিবাদ করছে। আমি আমার জমিতে ঘর নির্মাণ করছি।

সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুর রশিদ মোড়ল বলেন, স্থানীয়দের করা বিচারসহ চেয়ারম্যানের নির্দেশ অমান্য করে ঘর নির্মাণ চালিয়ে যাচ্ছে তারা কাওকে মানছে।

আশাশুনির প্রতাপনগর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের ইউ পি সদস্য আসলাম গাজী বলেন, আনোয়ারের পরিবার গ্রামে না থাকায় সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে শালিসের বিচার অমান্য করে আকবার ঘর নির্মাণ করছে। আকবর কারো কথা না শুনে জমির প্রকৃত মালিক না হয়েও জবর দখল করে ঘর নির্মাণ করছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *