নূরনগরে প্রশাসনের স্বাক্ষর জালিয়াতির অপরাধে আটক-১
নূরনগর (শ্যামনগর) প্রতিনিধি : শ্যামনগর উপজেলার নূরনগরে উপজেলা চেয়ারম্যানের ও প্রশাসনের স্বাক্ষর জালিয়াতি করে মিনি ভাটা পোড়ানোর অপরাধে ভ্রাম্যমাণ আদালতে রবিউল ইসলাম (৩২) নামের একজনকে আটক পূর্বক জরিমানা করা হয়েছে। আটক রবিউল ইসলাম উপজেলার নুরনগর ইউনিয়নের কুলতলি এলাকার জব্বার গাজীর ছেলে। ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, উপজেলা নির্বাহী অফিসার আ.ন.ম. আবুজর গিফারী ও উপজেলা চেয়ারম্যান এস. এম আতাউল হক দোলনের সীল সহ স্বাক্ষর জালিয়াতি করে (মিনি ইটভাটা) পোড়াতে গিয়ে তিনি আটক হয়েছে। বুধবার (২৯ এপ্রিল) উপজেলার সীমান্ত এলাকায় (মিনি ইটভাটা) পরিচালনা করায় কুলতলী বি জি বি ক্যাম্প কতৃপক্ষ তাকে বাধা দেয়। এ সময় মিনি ইটভাটা পরিচালনার অনুমোদন আছে কিনা জানতে চাইলে রবিউল ইসলাম শ্যামনগর উপজেলার প্রশাসনের স্বাক্ষর সম্বলিত একটি সনদ উপস্থাপন করে। বি জি বি ক্যাম্প কতৃপক্ষের এতে সন্দেহ হলে সনদের সত্যতা যাচাই করতে উপজেলা চেয়ারম্যান এস এম আতাউল হক দোলনের সাথে যোগাযোগ করলে সনদটি জাল বলে প্রমাণিত হয়। তৎক্ষনাৎ বি জি বি ক্যাম্প কতৃপক্ষ প্রাথমিক ভাবে তাকে আটক করে উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করে। উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি ও নির্বাহি ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল হাই সিদ্দিকী ঘটনা স্থলে উপস্থিত হয়ে প্রমাণ সাপেক্ষে ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন নিয়ন্ত্রণ ২০১৩ এর ৪ এবং ১৪ ধারামতে জরিমানা নগদ ১০ হাজার টাকা আদায় করেন। রবিউল জানায়, জাল সনদটি নূরনগরের হরিপুর গ্রামের গোলাম বারীর ছেলে ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা আনোয়ার সাদাত এর কাছ থেকে ১০ হাজার দিয়ে সে নিয়েছে। এ ঘটনায় উপজেলা চেয়ারম্যান এস এম আতাউল হক দোলন বাদী হয়ে রবিউল ইসলাম ও আনোয়ার সাদাত এর নামে শ্যামনগর থানায় স্বাক্ষর জালিয়াতির একটি মামলা দায়ের করেন। তারই প্রেক্ষিতে শ্যামনগর থানা পুলিশ স্বাক্ষর জালিয়াতি করার অপরাধে রবিউলকে আটক করে। এ বিষয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান এস এম আতাউল হক দোলন জানান, তিনি উক্ত স্বাক্ষর জালিয়াতি কারীদের বিরুদ্ধে মমলা করেছেন। এ বিষয় শ্যামনগর থানা অফিসার ইনাচার্জ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। স্বাক্ষর জালিয়াতির অপরাধে রবিউল নামে এক যুবককে আটক করা হয়েছে ও অন্য আসামীকে আটকের চেষ্টা অব্যহত আছে’।

Leave a Reply