ঢাকাSunday , 12 April 2020
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে বলায় গ্রাম পুলিশের মুখে চড় মারলেন নৌবাহিনীর সদস্য!

admin ঢাকা
আপডেট: 12 April 2020, 02:21

নিজস্ব প্রতিনিধি: সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে বলায় ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম পুলিশ মোহাম্মদ আলীর (৫০) কানপাটিতে চড় মেরেছে নৌবাহিনীতে কর্মরত এক সদস্য! বর্তমানে ওই সদস্য ছুটিতে বাড়িতে আছেন। নৌবাহিনীর ওই সদস্যের চড়ে গ্রাম পুলিশ মোহাম্মদ আলীর চোখে রক্ত জমে গেছে এবং তিনি আহত হয়েছেন। শনিবার দুপুর ১২টার দিকে সাতক্ষীরা সদরের উপজেলার বাঁশদহা ইউনিয়নের রেউই বাজারে এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গ্রাম পুলিশ সদস্যরা সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার জন্য বারবার অনুরোধ করছিলেন। হঠাৎ আশিকুর নামের ওই ছেলেটা গ্রাম পুলিশ মোহাম্মদ আলীর কান পাটিতে চড় মারে। আমরা বিষ্মিত হয়েছি বিষয়টি দেখে। একজন নৌবাহিনীর সদস্য হয়ে আইন ভঙ্গ করেছে সে আবার নিষেধ করায় একজন বয়স্ক মানুষের কান পাটিতে চড়ও মেরেছে।

গ্রাম পুলিশ মোহাম্মদ আলী বলেন, সাপ্তাহিক হাট নিষিদ্ধ হওয়া স্বত্তেও রেউই বাজারে শনিবার সকালে হাট বসেছিল। বিষয়টি জানতে পেরে আমরা ৩ জন গ্রাম পুলিশ রেউই বাজারে এসে হাট ভেঙে দিচ্ছিলাম এবং বাজারে থাকা লোকজনকে বাড়িতে যেতে অনুরোধ করছিলাম। অতি প্রয়োজেেন বাজারে থাকলে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে বলছিলাম। ওই সময় মাছ বাজারের ওখানে দাঁড়িয়ে ছিলেন রেউই বাজার এলাকার রেজাউল করিম খোকনের ছেলে নৌবাহিনীর সদস্য হিসেবে (বর্তমানে চিটাগাং এ কর্মরত) আশিকুর রহমান। তার মুখে মাস্ক না থাকায় আমরা তাকে সরে যেতে বলি এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে অনুরোধ করি। তখন সে আমাকে বলে আমি সরবো মানে ? এই তোর পদবী কি ? তখন আমরা বলি ভাই আপনার মুখে মাস্ক নেই আপনি সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখুন। আর তখনই সে আমার কানে চড় এবং কিল ঘুষি মারে। আমার চোখে রক্ত জমে গেছে।

বাঁশদহা ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের মেম্বর শহিদুল ইসলাম বলেন, আমি শুনলাম মোহাম্মদ চৌকিদারের মেরেছে খোকনের ছেলে। তখন আমি বাজারে এসে শুনলাম সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা এবং মুখে মাস্ক না থাকার বিষয়ে তাকে বললে সে চৌকিদারের মুখে চড় মারে। গ্রাম পুলিশ মোহাম্মদ আলীর চোখে রক্ত জমে গেছে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সাতক্ষীরা সদর সার্কেল) মীর্জা সালাউদ্দীন বলেন, গ্রাম পুলিশ হাতপাতালে ভর্তি হয়ে থানায় অভিযোগ দিলে অবশ্যই আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *