ঢাকাSaturday , 11 April 2020
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

আশাশুনির গদাইপুরে দফায় দফায় সংঘর্ষ: নিহত-১ আহত-১০

বিশেষ প্রতিনিধি ঢাকা
আপডেট: 11 April 2020, 11:14

নিজস্ব প্রতিনিধি : আশাশুনি উপজেলার খাজরা ইউনিয়নের গদাইপুরে বর্তমান চেয়ারম্যান ডালিম ও সাবেক চেয়ারম্যান কুদ্দুস গ্রæপের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষে সরবত আলী মোল্যা নামের একজন নিহত হয়েছে। এছাড়া সংঘর্ষে উভয় পক্ষের কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়েছে। নিহত সরবত আলী মোল্যা (৫৫) উপজেলার গদাইপুর এলাকার মৃত সামছুর মোল্যার ছেলে।

আহতরা হলেন, ডালিম চেয়ারম্যানের ভাই আহসান হাবিব টগর, জাকির মোল্যা, সেলিম সরদার, কাজল ফকির। এছাড়া অপর পক্ষের আহতরা হলেন সবুজ মোল্যা, লাদেন মোল্যা, শৈবাল মন্ডল ও রব্বানী মোল্যা। আহতরা বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে। এ ঘটনায় ১০ জনকে আটক করেছে পুলিশ। আটককৃতরা হলেন, ডালিম চেয়ারম্যানের ভাই জুলি, বাচ্চু, বাচ্চুর ছেলে কাইয়ুম, বাচ্চুর জামাই সাদ্দাম ও প্রতিবেশী মোহাম্মদ আলীসহ ১০জন।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানায়, ‘শুক্রবার সকালে খাজরা ইউপি চেয়ারম্যান ডালিমের ভাই টগর গদাইপুর মৎস্য সেটে মাছ বিক্রি করতে যায়। এ সময় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে গদাইপুর গ্রামের সবুজ মোল্যার নেতৃত্বে মোমিন, মফিজুল, আছাদুল, মজিদ মোল্যাসহ ৮/১০জন সংঘবদ্ধ হয়ে হাতুড়ি ও রামদা দিয়ে তাকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করে।

তাকে বাঁচাতে জাকির ও সেলিম এগিয়ে এলে তাদেরকেও পিটিয়ে জখম করে টগরের কাছে থাকা মাছ বিক্রির নগদ টাকা ও সেলিমের মোটর সাইকেল কেড়ে নেয়। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। পরে টগরের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে ঢাকা মেডিকেলে স্থানান্তর করা হয়।

এদিকে, টগরের আহত হওয়ার খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে শতশত মানুষ একত্রিত হয়ে প্রতিপক্ষের উপর হামলা চালায়। এতে সরবত ও রব্বানীসহ কমপক্ষে ৫জন আহত হয়। তাৎক্ষণিক আহতদের উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সরবত মোল্যার অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে সেখান থেকে খুলনা মেডিকেলে স্থানান্তর করা হয়। শনিবার গভীর রাতে খুলনা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সরবত মোল্যা মারা যায়।

অপরদিকে সরবতের মৃত্যুর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে সকালে স্থানীয় লোকজন একত্রিত হয়ে চেয়ারম্যান ডালিমের বাড়িসহ আশেপাশের কয়েকটি বাড়ি ভাঙচুর করে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। চেয়ারম্যান ডালিমের স্ত্রী রেহেনা খাতুন জানায়, ‘তার বাড়ি ভাঙচুর, নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার ও দলিলসহ সবকিছু লুটপাট করা হয়েছে’।

এ বিষয়ে আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুস সালাম জানান, ‘ঘটনাস্থল থেকে ১০ জনকে আটক করা হয়েছে। পরিস্থিতি এখন পুলিশের নিয়ন্ত্রনে আছে’।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *