ঢাকাThursday , 19 March 2020
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

২৪ ঘণ্টায় চীনে স্থানীয়ভাবে কেউ করোনা আক্রান্ত হয়নি

বিশেষ প্রতিনিধি ঢাকা
আপডেট: 19 March 2020, 11:43

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : করোনা ভাইরাস মহামারি শুরুর পর চীনে প্রথমবারের মতো গত ২৪ ঘণ্টায় স্থানীয় পর্যায়ে নতুন করে সংক্রমণের সংখ্যা শূন্য। বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) দেশটির জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশনের বরাত দিয়ে সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট এ তথ্য জানায়।

চীনজুড়ে আরও ৩৪ জন কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হলেও তারা কেউ স্থানীয়ভাবে সংক্রমিত হননি। তারা সবাই বিদেশফেরত। অপরদিকে, কোভিড-১৯ এর উৎসস্থল হুবেই প্রদেশে স্থানীয়ভাবে বা বিদেশ থেকে নতুন করে কেউ এ রোগে আক্রান্ত হননি।
এছাড়া, মৃত্যুও একক সংখ্যায় নেমে এসেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় চীনে আট জন মারা গেছেন। সব মিলিয়ে কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হয়ে দেশটিতে মারা গেছেন ৩ হাজার ২৪৫ জন। এ পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন ৮০ হাজার ৯২৮ জন। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ৭০ হাজার ৪২০ জন।
১০ জানুয়ারি থেকে দৈনিক হুবেই প্রদেশে ও ২০ জানুয়ারি থেকে চীনের মূল ভূখণ্ডে কোভিড-১৯ রোগী শনাক্ত ও মৃতের সংখ্যা জানাচ্ছে কমিশন।

বিশ্বজুড়ে এ মহামারিতে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। এ পরিস্থিতিতে চীনের তথ্যের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সমালোচকরা।

চীন ও অন্য দেশের স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা সন্দেহ করছেন, শুরুর দিকে বেইজিং ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের বিষয়টি গোপন করেছে। দেশটিতে নভেম্বরে ভাইরাসের সংক্রমণ শুরু হলেও, ডিসেম্বরের শেষের দিকে নতুন রোগের বিষয়টি বুঝতে পারে চীনা চিকিৎসকরা।

সংক্রমণ কমলেও সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞরা সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। চীনের শীর্ষ সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ ঝং নানশান বলেন, ‘শক্তিশালী পদক্ষেপ ছাড়া করোনা ভাইরাস দূর করা সম্ভব নয়। চীন যে পদ্ধতিতে অবলম্বন করেছে, অন্য দেশগুলোকেও সে পদ্ধতি কাজে লাগাতে হবে। দ্রুত প্রতিরোধ, দ্রুত শনাক্ত, দ্রুত রোগ নির্ণয় এবং দ্রুত কোয়ারেন্টিন- এ চার ‘দ্রুত’ পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে।’

এখন পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে কোভিড-১৯ রোগীর সংখ্যা ২ লাখ ১৯ হাজার ২৩৮ এবং মারা গেছেন ৮ হাজার ৯৬৭ জন। ১৭৫টি দেশ ও অঞ্চলে রোগটি ছড়িয়ে গেছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানায়, এ মহামারির কেন্দ্র এখন ইউরোপ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *