ঢাকাTuesday , 17 March 2020
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

দরগাপুরের রামনগরে সুপেয় পানির জন্য হাহাকার বৃষ্টির পানিই গ্রামবাসির এক মাত্র ভরসা


March 17, 2020 10:41 pm
Link Copied!

এস এম সাইদুল ইসলাম, দরগাহপুর (আশাশুনি) প্রতিনিধি: আশাশুনির দরগাহপুরে পানির জন্য হাহাকার শুরু হয়েছে। সুপেয় পানির অভাবে নারী শিশু ও বৃদ্ধরা পেটের পীড়াসহ নানাবিধ পানিবহিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে।
খাওয়ার জন্য এলাকার এক মাত্র ভরসা একটি পুকুর থাকলেও শুষ্ক মৌসুমে পুকুরের পানি শুকিয়ে যায়। পুকুরের তলানীতে যা একটু থাকে ময়লা ও আবর্জনার কারনে পানের অযোগ্য হয়ে পড়ে। দরগাহপুর ইউনিয়নের রামনগর গ্রামবাসি জানায়, দেশ স্বাধীনের পর থেকে সুপেয় পানির জন্য একটি গভীর নলকুপ স্থাপনের জন্য জনপ্রতিনিধিসহ প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিদের কাছে দেনদরবার করা হলেও কেউ অতিগুরুত্বপূর্ণ এ বিষয়টিকে আমলে নেয়নি।

এলাকায় অনেক বেসরকারি সংস্থাও ছায়া সরকার হয়ে এলাকায় বিভিন্ন জনহিতকর কাজ করে থাকে। কিন্ত তারাও সমস্যা সমাধানে এগিয়ে আসেনি। বর্ষামৌসুমে মাটির পাত্রে ধরে রাখা বৃষ্টির পানিই এক মাত্র ভরসা। লবনাক্ত এলাকায় জেলা পরিষদের একটি পুকুর থাকলেও যথাযথভাবে সংস্কার ও রক্ষানাবেক্ষনের অভাবে এখন তা মজা পুকুরে পরিনত হয়েছে।

শুষ্ক মৌসুমে যা একটু পানি থাকে তাতে কুচে-কাকড়া ব্যাঙ ও ব্যাঙাচি ভরে থাকায় জমে পানিটুকুও দুষিত হয়ে ওঠে। গ্রামের গৃহবধুরা জানায়, রামনগর গ্রামে এক গøাস পানির দাম এক গøাস দুধের সমান। সামর্থবান ব্যক্তিরা সুপেয় জারের পানি কিনে পান করতে পারলেও দরিদ্র শ্রেণীর মানুষেরা টাকার অভাবে বিশুদ্ধ পানি পান থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। উপজেলার রামনগর গ্রামের বিভিন্ন শ্রেনী ও পেশার মানুষের সাথে কথা বলে জানা গেছে, এই গ্রামে হিন্দু মুসলিমসহ বিভিন্ন সম্প্রদায়ের বসবাস। জন্মের পর থেকে এ গ্রামের কেউ টিউবওয়েলের পানি পান করেনি। মানুষের জীবন বাচানোর একমাত্র উপায় রেইন ওয়াটার।

রামনগর দীঘী বা বড় পুকুর নামে পরিচিতি জেলা পরিষদের একটি পুকুর আছে। গেল বছর ওই পুকুরে ছয় লক্ষ তিয়াত্তর হাজার টাকা ব্যয়ে বেসরকারি সংস্থা ওয়াল্ডভিশন একটি সোলার ফিল্টার স্থাপন করে। স্থাপিত ওই ফিল্টারটির মধ্যে কে বা কারা রাতের আধরে ময়লা আবর্জনা ও পশু পাখির মল ফেলে ফিল্টারটি অকেজ করে দেয়। ফলে পানির অভাবে আর্থিক স্বচ্ছল না থাকা পরিবারের সদস্যদের মধ্যে দেখা দেয় পানির জন্য হাহাকার। অন্যদিকে একটি সূত্র জানায়, ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ড সদস্য মুজিবুর রহমান সম্প্রতি ওই এলকায় বানিজ্যিকভবে একটি পানির প্লান্ট স্থাপন করে।

এলাকার স্বচ্ছল ব্যাক্তিরা তার স্থাপিত পানির প্লান্ট থেকে নির্ধারিত মূল্যে পানি ক্রয় করে পান করে আসছেন। জেলা পরিষদের পুকুরটি ওই ওয়ার্ড সদস্যের এলাকায়। গত বছর ছয় লক্ষ তিয়াত্তর হাজার টাকা ব্যায়ে বেসরকারি সংস্থা ওয়াল্ডভিশনের পুকুর সংস্কার কাজটিও ওই ইউপি সদস্য নিজ তদারকিকে সংস্কার করে। সে সময় বরাদ্ধকৃত টাকার সিংহভাগ হরিলুট হয়ে যাওয়ায় এক বছর যেতে না যেতেই পুকুরটি ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়ে।

এবিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান শেখ মিরাজ আলী জানান, জনদূর্ভোগ লাঘবে বিষয়টি উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। সুপেয় পানির অভাব দুরীকরনে তারা যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করবে বালে তিনি আশাবাদি।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।