ঢাকাMonday , 10 February 2020
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

স্কুল ছাত্রী অপহরণের ঘটনা তদন্তে পিবিআই

admin ঢাকা
আপডেট: 10 February 2020, 21:04

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার সদরের ফিংড়ি এলাকার বাসিন্দা ও দেবহাটার আন্দুলপোতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কন্যা শিমুলবাড়ীয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণি পড়ুয়া ছাত্রী আপহরণের বিষয়ে পিবিআই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পিবিআই খুলনার এসআই কাজী মো. হাসানের নেতৃত্বে ২ সদস্যের একটি টিম বিষয়টি তদন্ত আসেন। এসময় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সুশীলসমাজের ব্যক্তি, সাধারণ মানুষের বিভিন্ন স্বাক্ষাতকার নেন পিবিআই কর্তৃপক্ষ।
পরিবার ও মামলার এজহার সূত্রে জানা যায়, দেবহাটা আন্দুলপোতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ফিংড়ী গ্রামের স্বপন কুমার মিস্ত্রির ৭ম শ্রেণি পড়–য়া কন্যাকে দক্ষিণ ফিংড়ী গ্রামের ওহিদুল শেখের ছেলে রায়হান শেখ বিভিন্ন সময় প্রেমের প্রলোভন দেখিয়ে উত্ত্যক্ত করার জের ধরে ০১/১২/১৯ তারিখ সন্ধ্যা ৬টার দিকে ভিকটিম বাড়ির সামনে দিয়ে প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার সময় অপহরণকারী রায়হান শেখ তার সহযোগীদের সহযোগিতায় অপহরণ করে। পর দিন ২/১২/১৯ তাং দুপুরে ভিকটিমকে পারুলিয়া কদবেলতলা মোড় থেকে উদ্ধার করে ভিকটিমের পরিবার। ঐ দিনই ভিকটিমের বাবা স্বপন কুমার মিস্ত্রি বাদী হয়ে ৭/৩০ ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন সংশোধনী ২০০৩ ধারায় ঘটনা উল্লেখ করে মামালা দায়ের করে। এতে অপহরণকারী রায়হান শেখকে প্রধান আসামি করে তার সহযোগী আতœীয় সদর উপজেলার শিমুলবাড়ীয়া গ্রামের জালাল ঢালীকে ২নং আসামি ও রায়হানের পিতা ওহিদুল শেখকে ৩নং আসামি করে সদর থানায় মামলা নং-৪ দায়ের করে। এদিকে ভিকটিম উদ্ধার হওয়ার ৫দিন পরে ৭/১২/১৯ তাং স্কুল থেকে বাড়িতে ফেরার পথে উক্ত আসামিরা পরিকল্পিত ভাবে দুপুর ১টার দিকে শিমুলবাড়ীয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সামনে থেকে প্রধান আসামির মাতা দেবহাটা উপজেলার চরবালিথা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আছিয়া খাতুন ও অপর সহযোগী একই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ভিকটিম পরিবারের অর্থ জোগান দাতা নাসিমা খাতুনসহ বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষকদের সহযোগিতায় আবারও অপহরণ করে প্রথমে চর বালিথা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিয়ে যায়। সেখান থেকে প্রধান আসামি সহ অন্যান্য আসামিরা অন্যত্র নিয়ে যায়। পরে ঐ ঘটনায় ভিকটিমের মা অর্পণা রানী মিস্ত্রি সাতক্ষীরা বিজ্ঞ মানব পাচার অপরাধ ট্রাইবুনালে একটি পিটিশন দাখিল করে। যে পিটিশনে পূর্বের তিন জন আসামি বহালসহ নতুন ভাবে প্রধান আসামির মা চরবালিথা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আছিয়া খাতুন এবং দেবহাটা থানার চর বালিথা গ্রামের রজব আলি সানার ছেলে রেজাউল ইসলাম ওরফে খোকনসহ ৫জন এবং অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়। যার পিটিশন নং-৩৯/২০২,ধারা-৬/৭/৮ মানব পাচার অপরাধ দমন আইন ২০১২। তবে এ ঘটনার আসামিরা এখনও বহাল তবিয়তে এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছ। এদিকে কন্যা হারা অসহায় ভিকটিমের পরিবার তাদের একমাত্র মেয়ের সন্ধানে বিভিন্ন দ্বারে দ্বারে ঘুরে বেড়াচ্ছে। উক্ত স্কুল ছাত্রীকে উদ্ধারসহ আসামিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী ও তার পরিবার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *