শ্যামনগরে কাশেম বাহিনীর হাত থেকে সম্পত্তি উদ্ধারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন
ডেস্ক রিপোর্ট: শ্যামনগর উপজেলা বিএনপি ক্যাডার মুন্সিগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান কাশেম এর বিরুদ্ধে দরিদ্র সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জমি ভোগদখল, নারীদের যৌন নির্যাতনসহ ভারতে তাড়িয়ে দিয়ে বসতভিটা থেকে উচ্ছেদের পায়রাতার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন মুন্সিগঞ্জের মীরগাং এলাকার বাসিন্দা সতিন্দ্রনাথ মন্ডলের ছেলে বিজয় কৃষ্ণ মন্ডল ও তুলশী রাণী এবং বিমল কৃষ্ণ মন্ডল। এলাকা বাসির পক্ষে লিখিত বক্তব্যে বিজয় কৃষ্ণ মন্ডল বলেন, আমরা সরকারি রাজস্ব দিয়ে পূর্ব পুরুষের পেশা হিসাবে বৈধভাবে সুন্দরবনের মাছ ও কাঁকড়া ধরে অতি কষ্টে জীবিকা নির্বাহ করে পৈতৃক সম্পত্তিতে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করে আসছি। হরিনগর মৌজায় আমাদের পৈতৃক সম্পত্তি নদীর ধারে হওয়ায় লোনাপানি উঠার কারণে ধান চাষ হতো না। সে সময় একই এলাকার ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কাশেম আমাদের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করে একসাথে মৎস্য ঘের করার প্রস্তাব দেয়। আমরা সরল বিশ্বাসে কাশেমের কথায় রাজি হই। কিন্তু মাছ উঠার সময় পর সম্পদ লোভী কাশেম আমাদেরকে ঘের থেকে তাড়িয়ে দিয়ে বলে এখানে তোদের কোন সম্পত্তি নেই। এ ঘটনার পর শ্যামনগর উপজেলা প্রশাসনসহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করলেও আমরা কোন প্রতিকার পাইনি। এদিকে চেয়ারম্যান তার বাহিনী দিয়ে আমাদের পৈতৃক সম্পত্তি জোরপূর্বক দখলে রেখেছেন।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, কাশেম এবং তার সহযোগীদের অত্যাচারে এলাকার হিন্দু সম্প্রদায়ের নারী পুরুষ কেউ নিরাপদ নয়। তাদের ভয়ে এলাকার সংখ্যালঘু সুন্দরী গৃহবধূ, কন্যারা রাতে বাড়িতে আতঙ্কে থাকে। কাশেম ও তার বাহিনীর সদস্যরা এলাকার হিন্দু সম্প্রদায়ের গৃহবধূ ও মেয়েদের যৌন নির্যাতন, শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করে দিশেহারা করে তুলেছে। তিনি বিএনপি ক্যাডার কাশেম বাহিনীর হাত থেকে পৈতৃক সম্পত্তি উদ্ধার এবং শান্তিতে এদেশে বসবাসের সুযোগ সৃষ্টি করার দাবিতে প্রধানমন্ত্রী ও সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

Leave a Reply