শ্যামনগর অফিস: শ্যামনগর উপজেলার টেংরাখালী পাউ’বোর বেড়ীবাঁধ ছিদ্র করে অবৈধভাবে পাইপ ঢুকিয়ে লোনা পানি উঠিয়ে জনৈক মজিবর কাগুচী ড্রেনেচ ব্যবস্থা ছাড়া মৎস্য ঘের করায় টেংরাখালী সরকারি দিঘি সহ শতাধিক মানুষের ছোট ছোট মিষ্টি পানির পুকুর, ঘরবাড়ি, ক্ষেত খামার, গাছ গাছালি সহ ফসলি জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিরা জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, সাতক্ষীরা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীসহ সংশি¬ষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করেছেন। এলাকা বাসী সম্প্রতি পাইপের সামনে বাঁধ দিয়ে লোনা পানি উঠানো বন্ধ করে দিয়েছে। এমতাবস্থায় ঘের মালিক মজিবর কাগুচী মেম্বর পতিত পাবন মন্ডল এর সহযোগিতায় বাঁধ কেটে লোনা পানি উঠানোর জোর তদবির চালাচ্ছে। এলাকা বাসী জানান, টেংরাখালী গ্রামসহ পার্শ্ববর্তী গ্রামগুলোর ৫ শতাধিক পরিবারের মিষ্টি পানির আধার, ওই টেংরাখালী সরকারি দিঘি। বর্তমান বছরে জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে ৩৫ লক্ষ টাকা ব্যয় করে দিঘির খনন কাজ ইতিমধ্যে সম্পন্ন করেছে এবং অত্যাধুনিক প্রযুক্তির পরিকল্পনা চলমান। এ বিষয়ে শ্যামনগর পানি উন্নয়ন বোর্ডের এসও মাসুদ রানার মুঠো ফোনে কথা হলে তিনি বলেন, স্যারের নির্দেশে আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখতে পাই পাইপের সামনে এলাকা বাসী বাঁধ দিয়ে লোনা পানি উঠানো বন্ধ করে দিয়েছে। যদি কেউ জোরপূর্বক ওই পাইপ দ্বারা লোনা পানি উঠানোর চেষ্টা করে তখন তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করব। মৎস্য ঘের মালিক মজিবর কাগুচীর সাথে মুঠো ফোনে কথা হলে তিনি বলেন, আমি কোন মানুষের ক্ষতি করে বা সরকারি দিঘির পানি নষ্ট করে ঘের করব না। সকলের সাথে এমনকি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সাথে আলোচনা করে কোন ক্ষতি না হয় এমন ব্যবস্থা করে ঘের করব। এলাকার ভুক্তভোগীরা অনতি বিলম্বে বেড়ীবাঁধে অবৈধভাবে ঢোকানো পাইপটি অপসারণ সহ সরকারি দিঘির মিষ্টি পানি রক্ষার্থে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সহ সংশি¬ষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
