ঢাকাTuesday , 7 January 2020
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

সদরের কাশেমপুরে দুই ভাইয়ের দুই বউ উধাও! থানায় অভিযোগ

admin
January 7, 2020 9:09 pm
Link Copied!

নিজস্ব প্রতিবেদক: সাতক্ষীরায় দুই ভাইয়ের দুই বউ উধাও হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার কাশেমপুর গ্রামে। এ ঘটনায় দুই গৃহবধুর মাতা একই উপজেলার বৈচনা গ্রামের আলী আরশাদ গাজীর স্ত্রী আফরোজা খাতুন ও মোচড়া গ্রামের হোসেন মোল্লার স্ত্রী ছফুরা খাতুন ৫ জানুয়ারি সাতক্ষীরা সদর থানায় হাজির হয়ে ৩ জনের বিরুদ্ধে পৃথক দুটি অভিযোগ দায়ের করেন। বাদী আফরোজার অভিযোগ সূত্রে জানাগেছে সদর উপজেলার বৈচনা গ্রামের আলী আরশাদ গাজীর মেয়ে রিমু সুলতানার সাথে একই উপজেলার কাশেমপুর গ্রামের আব্দুল মাজেদের ছেলে শহিদুজ্জামান খোকার বিয়ে হয়। বিয়ের পরে সংসারকালে তাদের কোলে একটি মেয়ে সন্তান আসে। বিয়ের পরে ব্যবসা করার জন্য জামাইকে নগদ ১ লাখ টাকা দেয়। তারপরও রিমুর বাবার বাড়ি থেকে সব সময় যৌতুকের টাকা আনতে বলেন শ্বশুরবাড়ির লোকজন। কিন্তু বাবার বাড়ি থেকে যৌতুকের টাকা আনতে না পারাই রিমু ও তার সন্তানকে রীতিমত ভরন পোষণ ও খেতে দেয় না রিমুর শ্বশুরবাড়ির লোকজন। রিমু ও তার সন্তানকে রীতিমত ভরন পোষণ ও খেতে দেওয়ার বদলে রিমুকে সব সময় বেদম মারপিট, অত্যাচার করতে থাকে ও খুন, ক্ষতিসাধন করবে বলে হুমকি দেয় রিমু শ্বশুর আব্দুল মাজেদের সহযোগিতায় রিমুর স্বামী শহিদুজ্জামান খোকা, শাশুড়ি ফুন্টি ও ননদ আছমা খাতুন। একপর্যায় ৩১ ডিসেম্বর রিমুর স্বামী শহিদুজ্জামান খোকা তার শ্বশুর বাড়ির লোকজনের কাছে ফোন করে বলেন রিমুর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। রিমুর বাবা এই সংবাদ শুনে রিমুর শ্বশুর বাড়িতে আসেন। রিমুর শ্বশুর বাড়িতে এসে দেখে তার মেয়ে রিমু বাড়িতে নেই। এরপর রিমুর বাবা তার মেয়েকে খুঁজে বের করে আনার জন্য আসামিদের সাথে কথা বললে আসামিরা কোনো কথা না বলে রিমুর বাবা মাকে গালিগালাজ করে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে তাড়িয়ে দেয় আসামিরা। এরপর রিমুর বাবা তার আত্মীয় স্বজনদের বাড়িতে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও রিমুকে না পেয়ে রিমুর মাতা আফরোজা খাতুন বাদী হয়ে জামাই শহিদুজ্জামান খোকা, শাশুড়ি ফুন্টি ও নোদন আছমা খাতুনকে আসামি করে সদর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। অপরদিকে বাদী ছফুরার অভিযোগ সূত্রে জানাগেছে সদর উপজেলার কাশেমপুর গ্রামের আব্দুল মাজেদের ছেলে নুরুজ্জামানের সাথে ১২ বছর পূর্বে একই উপজেলার মোচড়া গ্রামের হোসেন মোল্লার মেয়ে শিলা খাতুনের বিয়ে হয়। বিয়ের পরে সংসারকালে তাদের কোলে দুইটি মেয়ে সন্তান আসে। বিয়ের পরে জামাইকে একটি পালছার মোটরসাইকেল ও ব্যবসা করার জন্য নগদ টাকা দেয়। তারপরও শিলার বাবার কাছে যৌতুকের টাকা চান শ্বশুরবাড়ির লোকজন। তাছাড়া শিলার বাবার বাড়ি থেকে সব সময় যৌতুকের টাকা আনতে বলেন শ্বশুরবাড়ির লোকজন। কিন্তু বাবার বাড়ি থেকে যৌতুকের টাকা আনতে না পারাই শিলা ও তার দুই সন্তানকে রীতিমত ভরন পোষণ ও খেতে দেয় না শ্বশুরবাড়ির লোকজন। শিলা ও তার দুই সন্তানকে রীতিমত ভরন পোষণ ও খেতে দেওয়ার বদলে শিলাকে সব সময় বেদম মারপিট, অত্যাচার করতে থাকে ও খুন, ক্ষতিসাধন করবে বলে হুমকি দেয় শ্বশুর আব্দুল মাজেদের সহযোগিতায় শিলার স্বামী নরুজ্জামান, শাশুড়ি ফুন্টি ও ননদ আছমা খাতুন। একপর্যায় ৩১ ডিসেম্বর শিলার স্বামী নুরুজ্জামান তার শ্বশুর বাড়ির লোকজনের কাছে ফোন করে বলেন শিলার খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। শিলার বাবা এই সংবাদ শুনে শিলার শ্বশুর বাড়িতে আসেন। শিলার শ্বশুর বাড়িতে এসে দেখে তার মেয়ে শিলা বাড়িতে নেই। এরপর শিলার বাবা তার মেয়েকে খুঁজে বের করে আনার জন্য আসামিদের সাথে কথা বললে আসামিরা কোনো কথা না বলে শিলার বাবার বাড়ির লোকজনের গালিগালাজ করে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে তাড়িয়ে দেয় আসামিরা। এরপর শিলার বাবা তার আত্মীয় স্বজনদের বাড়িতে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও শিলাকে না পেয়ে শিলার মাতা ছফুরা খাতুন বাদী হয়ে জামাই নুরুজ্জামান, শাশুড়ি ফুন্টি ও নোদন আছমা খাতুনকে আসামি করে সদর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। এ ব্যাপারে জেলা পুলিশ সুপারের কাছে আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন অসহায় দুই পরিবারটি।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।