ঢাকাWednesday , 5 September 2018
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

দেয়াড়ায় রোপা আমনের ভাসমান বীজতলা

admin ঢাকা
আপডেট: 5 September 2018, 22:35

খোরদো (কলারোয়া) প্রতিনিধি: কলারোয়া উপজেলা কৃষি অধিদপ্তরের উদ্যোগে জলাবদ্ধ এলাকায় রোপা আমন ধানের ভাসমান বীজতলা তৈরি করা হয়েছে। উপজেলার দেয়াড়ায় এই ভাসমান বীজতলা তৈরি করে ধানের চারা উৎপাদনে সক্ষম হয়েছেন চাষীরা। এই পদ্ধতিকে আপদকালীন সময়ে জলাবদ্ধতা সত্তে¡ও ধান চাষের ক্ষেত্রে বীজতলা রক্ষণাবেক্ষণের সোপান হিসেবে ভাবছে কৃষি অফিস।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, ভাল ফলন পেতে এবং চাষাবাদে সমস্যা লাঘবে বন্যাদুর্গত এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ত চাষীদের সহযোগিতার জন্য উপজেলা কৃষি অফিসের পরামর্শক্রমে দেয়াড়ার খোরদো বøকের স্থানীয় চাষীরা ভাসমান বীজতলা তৈরি করছেন। এই বীজতলা দেখে অনেক কৃষকই উদ্বুদ্ধ হচ্ছেন।
কৃষকরা জানান, বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বেশি হওয়ায় বর্তমানে বেশিরভাগ ধানের ক্ষেতে পানি জমে থাকে। এ কারণে বীজতলা তৈরি করা সম্ভব হয় না। কিন্তু ভাসমান বীজতলা তৈরি করে সেই ক্ষতি থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। কৃষি অফিসের সার্বিক সহযোগিতা পেলে ভাসমান বীজতলার মাধ্যমে ধান চাষে আরও বেশি সাফল্য আনা সম্ভব বলেও মনে করেন তারা।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কপোতাক্ষ নদের পাড়ে কলাগাছ, শ্যাওলা, বিচুলী ও বাঁশের চটির বিশেষ পদ্ধতিতে খোরদো বøকে ভাসমান বীজতলা তৈরি করা হয়েছে। এতে খরচও কম। এছাড়া, দেয়াড়ায় ১০/১.২৫ মিটারের ২৮টি বেড তৈরি করে রোপা আমন ধানের ব্রি-ধান-৫২ জাতের বীজতলা তৈরি করা হয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দেয়াড়ায় গত বছর জলাবদ্ধতার কারণে কৃষকরা ধান উৎপাদনের জন্য বীজতলা তৈরি করতে পারেনি। এ কারণে লোকসানের মুখে পতিত হয় তারা। আর এবার সেই লোকসান কাটিয়ে উঠতে ভাসমান বীজতলা তৈরি করেছেন তারা।
এ ব্যাপারে উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা এ কে এম মামুনুর রশিদ জানান, জলাবদ্ধতার কারণে এ অঞ্চলে কোন মৌসুমেই ফসল উৎপাদন সম্ভব হয় না। বছরের পর বছর কৃষক লোকসানের সম্মুখীন হচ্ছে। কৃষককে লোকসানের হাত থেকে রক্ষা করতে এবছর ভাসমান বীজতলা তৈরির আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। বিভিন্ন পরামর্শ দিয়ে তাদের সহযোগিতা করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, চারা রোপণের উপযুক্ত বয়স হলে তা বীজতলা থেকে উত্তোলন করে কৃষি অফিসে জমা দেওয়া হবে এবং সেখান থেকে প্রয়োজন অনুযায়ী বন্যাদুর্গতসহ ফসল বিনষ্ট হওয়া চাষী বা অন্যান্য আগ্রহী কৃষকের মাঝে বিতরণ করা হবে।
এছাড়া, বেশ কয়েকটি স্থানে ভাসমান সবজিও চাষ করা হচ্ছে। আর এভাবে জলাবদ্ধতা উপক্ষো করে বিভিন্ন ফসল উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *