ঢাকাMonday , 25 November 2019
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

শ্যামনগরে পিইসি পরীক্ষায় জালিয়াতি; গঠন হয়নি তদন্ত কমিটি

admin ঢাকা
আপডেট: 25 November 2019, 21:49

শ্যামনগর প্রতিনিধি: শ্যামনগর উপজেলার নাগবাটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে গত ১৯ নভেম্বর পিইসি পরীক্ষায় জালিয়াতির ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন না হওয়ায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন এলাকার সুধী মহল। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এস এম নাহিদ হাসান গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কেন্দ্রে গিয়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের চারজন ছাত্র এবং একজন ভুয়া শিক্ষককে আটক করে। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. আকরাম হোসেন এসময় ব্রম্মশাষণ ইবতেদায়ী মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক মাহতাব হোসেনের বিরুদ্ধে জালিয়াতির কারণে তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠনের মাধ্যমে তদন্ত করে জেলা প্রশাসক বরাবর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করার কথা বললেও এখনও পর্যন্ত তা বাস্তবায়ন হয়নি বলে জানা যায়। ইতিপূর্বে প্রধান শিক্ষক মাহতাব হোসেনের বিরুদ্ধে পরীক্ষার্থী জালিয়াতি ছাড়াও আরো বিভিন্ন ধরনের দুর্নীতির অভিযোগ বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত হয় । স্থানীয় সূত্রে জানাজায়, শিক্ষক মাহতাব হোসেন অত্র মাদ্রাসায় নিয়মিত জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন না। ইতিপূর্বে তার স্ত্রীকে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দিয়ে বেতন তুলেছেন বছরের পর বছর। অথচ তার স্ত্রী কালিগঞ্জ একটি এমপিও ভুক্ত বিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে কর্মরত। বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হলে তার স্ত্রীর বেতন বন্ধ করে দেন সংশ্লিষ্ট কর্র্তৃপক্ষ। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে সেখানে একজন শিক্ষক কর্মরত থাকলেও বেতন তোলেন চারজন শিক্ষকের। শিক্ষক মাহতাব হোসেন মাদ্রাসার ছাত্র ছাত্রী দেখাতে প্রতিবছর বিভিন্ন কওমিয়া মাদ্রাসা সহ বিভিন্ন বিদ্যালয়ে ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রছাত্রীদের ভুয়া নিবন্ধন দিয়ে জালিয়াতির মাধ্যমে পরীক্ষায় অংশ নেওয়ান বলে জানা যায়। যা হাতে নাতে ধরা পড়েছে গত ৯ নভেম্বর। তদন্ত কমিটি গঠন করার কথা বললেও তা কেন করা হচ্ছে না জানতে চাইলে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. আকরাম হোসেন বলেন, এবিষয়ে এখনও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে কথা হয়নি, কথা হলে জানাতে পারব। বিষয়টি নিয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো. আকতারুজ্জামান মিলনের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, বিষয়টি তো মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের দায়িত্ব, উনি কি করেছেন তা ঠিক বলতে পারছি না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *