ঢাকাSunday , 17 November 2019
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

এক ইনজেকশনেই শেষ সাবিনা

admin ঢাকা
আপডেট: 17 November 2019, 21:52

ডেস্ক রিপোর্ট: গ্রাম্য ডাক্তারের এক ইনজেকশন পুষে অচল হয়ে গেছে গৃহবধূ সাবিনা ইয়াসমিন। শরীরের এক পাশ অচল অবস্থায় বর্তমানে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন গৃহবধূ সাবিনা। সাবিনা ইয়াসমিন জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার নলতা ইউনিয়নের ইন্দ্রোনগর গ্রামের রফিকুল ইসলামের স্ত্রী। সাবিনা ইয়াসমিন জানান, পাঁচ দিন আগে শরীরের ব্যথা অনুভব করলে নলতা বাজারে গ্রাম্য ডাক্তার ফজলুর রহমানের কাছে যান। ফজলুর রহমান কোমরের নীচে বাম পায়ে মাংস পেশিতে একটি ইনজেকশন পুষ করে। এরপর থেকে আর উঠে দাঁড়াতে পারিনি। ডাক্তার প্রথমে বলেছিল ঠিক হয়ে যাবে কিন্তু আর ঠিক হয়নি। ভালো মানুষ এখন অচল হয়ে পড়েছি। বাম পা একেবারেই অবশ হয়ে গেছে। সাবিনা ইয়াসমিনের স্বামী রফিকুল ইসলাম বলেন, আমি কৃষিকাজ করি, খেটে খাওয়া মানুষ। হাতুড়ে ডাক্তার ফজলুরকে বিশ্বাস করে তার কাছে স্ত্রীকে পাঠিয়েছিলাম। আমার স্ত্রীর জীবনটা শেষ করে দিয়েছে। শনিবার সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্ত্রীকে ভর্তি করেছি। কি ঔষধ শরীরে পুষ করেছিল মেডিকেলের ডাক্তার সেটি জানার জন্য চেষ্টা করলেও এখন আর ফোন ধরছে না হাতুড়ে ডাক্তার ফজলুর রহমান। তিনি আরও বলেন, আমি তার কাছে গিয়ে জানতে চাইলে আমাকে মারপিট করতে উদ্যত হচ্ছে। মেডিকেলে অসুস্থ স্ত্রীকে দেখে এখনও কিছু বলেনি। হাতুড়ে ডাক্তার ফজলুর রহমান কালিগঞ্জ উপজেলার ব্রজোপাটুলিয়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি দেবহাটার ইসামতি টেকনিক্যাল কলেজের কম্পিউটার বিভাগের ল্যাবে চাকুরি করেন। এছাড়াও কালিগঞ্জের নলতা বাজারে রয়েছে তার রোগী দেখার চেম্বার। গ্রাম্য ডাক্তার ফজলুর রহমান বলেন, প্রতিমাসেই আমার কাছে আসেন সাবিনা। কয়েকদিন আগে আমার কাছে আসার পর আমি কিটোনিক-৩০ ইনজেকশন দিয়েছিলাম। পরদিন এসে বলেছিল, ব্যথা সারেনি। তারপর ভলটালিন দিয়েছি। এছাড়া বাকি কোন ঔষধ পত্র আমি সাবিনাকে দেয়নি। তিনি বলেন, শুনেছি রোগীর বাম পা অবশ হয়ে গেছে। সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন সাবিনা। আমি যে চিকিৎসা দিয়েছি তার জন্য সাবিনার এমন হওয়ার কথা নয়। সাবিনা ইয়াসমিনের চিকিৎসা সংক্রান্ত বিষয়ে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের চিকিৎসক ডা. কাজী আরিফের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও কথা বলা সম্ভব হয়নি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *