ঢাকাSunday , 3 November 2019
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

আ’লীগের নতুন সদস্য সংগ্রহে বাঁধা দেওয়ার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

admin ঢাকা
আপডেট: 3 November 2019, 21:20

ডেস্ক রিপোর্ট: বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নতুন সদস্য সংগ্রহ ও সদস্য নবায়নের সময় ওয়ার্ড আ’লীগের সভাপতিকে মারপিট করে ফর্ম কেড়ে নেওয়ার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে দলীয় ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আশাশুনি উপজেলার লাউতাড়া গ্রামের আনার আলী শাহ্ এর ছেলে ও খাঁজরা ইউনিয়ন আ’লীগের ৩নং ওয়ার্ডের সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক শাহ্ রোববার (০৩ নভেম্বর) দুপুর ১টায় সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করে এ প্রতিকার চান। লিখিত বক্তব্যে আব্দুর রাজ্জাক উল্লেখ করেন, দলীয় কাউন্সিল উপলক্ষে বাংলাদেশ আ’লীগের গঠনতন্ত্র ও নির্দেশনা অনুযায়ী তিনি ও তার ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক কৃষ্ণপদ সানা গত কয়েকদিন ধরে নতুন সদস্যপদ সংগ্রহ ও সদস্য পদ নবায়নের কাজ করে যাচ্ছিলেন। এ উপলক্ষে তিনি রোববার সকাল ৮টার দিকে কিছু ফর্ম নিয়ে সাধারণ সম্পাদকের বাড়িতে যান। এ খবর জানতে পেরে খাঁজরা ইউপি চেয়ারম্যান শাহানেওয়াজ ডালিমের সমর্থক লাউতাড়া গ্রামের আব্দুস সবুর গাজীর ছেলে সুন্দরবনের বন-দস্যু অস্ত্রসহ হাফ-ডজন মামলার আসামি র‌্যাব ও ডিবি পুলিশের সোর্স পরিচয়দানকারী সন্ত্রাসী সলেমান গাজী, তার সহযোগী নব্য আওয়ামী লীগার একই গ্রামের মাওলা গাজীর ছেলে আদম গাজী, সাত্তার ঢালীর ছেলে অলিয়ার ঢালী, মোকাম সরদারের ছেলে মিজান সরদার, উকিল গাজীর ছেলে সিরাজুল গাজী, খালেক গাজীর ছেলে রহমান গাজী, কওছার ঢালীর ছেলে কালাম ঢালী ও আবুল সরদারের ছেলে রাসেল সরদারসহ কয়েকজন সেখানে আসে। সদস্যপদ নেওয়া ও সদস্যপদ নবায়নের অধিকার তাকে কে দিয়েছে বলে সলেমান তার কাছে জানতে চায়। এ নিয়ে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে সলেমানসহ উপরোক্তরা তাকে এলোপাতাড়ি কিল, চড় ও ঘুসি মেরে জখম করে মাটিতে ফেলে দিয়ে তারা তার কাছে থাকা সকল ফর্ম কেড়ে নিয়ে চলে যায়। এ সময় সাধারণ সম্পাদক কৃষ্ণ সানা ও তার পরিবারের সদস্যরা তাকে রক্ষায় এগিয়ে আসলে তাদেরকেও লাঞ্ছিত করা হয়। এ ঘটনায় তিনি আশাশুনি থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, সলেমান ও তার সহযোগীরা জামায়ত ও বিএনপি পন্থী লোকজনদের আ’লীগে প্রবেশ করানোর পাঁয়তারার অংশ হিসেবে তার উপর হামলা চালিয়ে ফর্ম কেড়ে নিয়েছে বলে তিনি মনে করেন। এ অবস্থা চলতে থাকলে দলের মধ্যে কাউয়া ঢুকে পড়ে দলের সমূহ ক্ষতি হবে বলে তিনি মনে করেন। ব্যাহত হবে প্রধানমন্ত্রী ও দলীয় সভাপতির আ’লীগের মধ্যে শুদ্ধি অভিযানের প্রক্রিয়া। সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তার উপর হামলা করে ফর্ম ছিনতাইকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ও দলীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে বাংলাদেশ আ’লীগের সংগঠনকে মজবুত ও শক্তিশালী করার জন্য বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী, সাধারণ সম্পাদক ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *