ঢাকাFriday , 25 October 2019
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

কলারোয়ার যেখানে ৩শ বছরের দুটি জাহাজ ডুবে আছে

admin ঢাকা
আপডেট: 25 October 2019, 22:39

কলারোয়া প্রতিনিধি: কলারোয়া উপজেলার যুগিখালী ইউনিয়নের প্রত্যন্ত এক অঞ্চলে ৩শ’ বছর পূর্বে ডুবে যাওয়া দুটি জাহাজের অন্তিম অবস্থান। সেই জায়গাকে কেন্দ্র করে ঐতিহ্যের ধারক হিসেবে গড়ে উঠেছে জাহাজমারি এবি পার্ক। প্রতিদিন শত শত মানুষ একটু নির্মল, নিরিবিলি সময় কাটানোর জন্য পরিবার-পরিজন নিয়ে ছুটে যাচ্ছে এ পার্কে। একজন বিনোদন পিপাসু ব্যক্তি অবসাদ দুর করতে সকল বয়সী মানুষের আনন্দ বিনোদনের জন্য নিজ উদ্যোগে প্রায় শত বিঘা জমির উপর জাহাজমারি এবি পার্কটি নির্মাণ করেন। ২০১৪ সালে সংসদ সদস্য অ্যাড. মোস্তফা লুৎফুল্লাহ এমপির উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে পার্কটি আনুষ্ঠানিক ভাবে যাত্রা শুরু করে। শুরু থেকে অনেক প্রতিক‚লতা পেরিয়ে আজ পার্কটি ভ্রমণ পিপাসুদের মনে স্থান করে নিয়েছে। এখানে আছে বিভিন্ন প্রজাতির পশু পাখি, রয়েছে ৫পা বিশিষ্ট গরু, শিশুদের জন্য রয়েছে দোলনা, নৌকা, ঝুলন্ত সিঁড়ি, নাগরদোলা, দুটি ৩শ বছরের জাহাজ, বানোর, শিয়াল, বিভিন্ন প্রজাতির পাখি, অজগর সাপ ইত্যাদি। শুক্রবার (২৫ অক্টোবর) সরজমিনে ঘুরে দেখা গেছে-কলারোয়া পৌরসভা থেকে প্রায় ১৪ কিলোমিটার দূরে নিরিবিলি পরিবেশে এ পার্কটি অবস্থিত, কিন্তু যোগাযোগ ব্যবস্থা তেমন ভাল না থাকায় ভ্রমণকারীরা দুর্ভোগে পড়েন। একটু বৃষ্টি হলেই রাস্তা চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। পার্কে আসা মনিরুল ইসলাম, জাহিদুর রহমান, আজগার আলী ও শিশু লামিয়া জানান-এ পার্কের পরিবেশ খুবই ভাল এখানে বিনোদনের অনেক উপকরণ রয়েছে, কিন্ত যোগাযোগ ব্যবস্থা ভাল না থাকায় আসতে অনেক কষ্ট হয়েছে। এ ব্যাপারে পার্কটির ম্যানেজার জানান, আমাদের পার্কের পরিবেশ ভাল থাকায় একটু বাড়তি বিনোদনের জন্য অনেক দূর-দূরন্ত থেকে মানুষ আসে। আমাদের এখানে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভাল, তাই মানুষ নির্ভয়ে এখানে ছুটে আসেন। কথা প্রসঙ্গে পার্কটির মালিক আবুল বাশার বলেন, মানুষ মানুষের জন্য, মানুষের জন্য কিছু করার অভিপ্রায়ে এ পার্কটি নির্মাণ করি। আমি এ গ্রামের মানুষ, পূর্ব পুরুষদের নিকট থেকে জেনেছি প্রায় ৩শ’ বছর আগে এ স্থানে বড় নদী ছিল, নদীতে বড়বড় জাহাজ চলত। পার্কটির ঠিক এ স্থানে দুটি বিদেশি জাহাজ ডুবে যায়, সেই থেকে এ এলাকাটি জাহাজমারি নামে পরিচিতি পায়। তাই এ স্থান টাকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য জাহাজমারি আবুল বাশার (এবি) পার্কটি গড়ে তুলেছি। এ পার্কে যেমন মানুষ একটু সময় কাটিয়ে স্বস্তি পায় তেমনি এখানে অনেক মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হয়েছে। সরকারি ভাবে কোন সহযোগিতা পেলে ও রাস্তাটির প্রসস্ত এবং সংস্কার করা হলে পার্কটিতে বিনোদন পিপাসুদের ঢল নামবে বলে আমি মনে করি। এছাড়া পার্কের মালিক আবুল বাশার আরও জানান, সন্ধ্যার পরে পার্কের গেটে তালা মারা হয়। সকাল ১০ টা থেকে পার্ক খোলা হয়। প্রতিনিয়ত থানা পুলিশ, গোয়েন্দা পুলিশ সহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা পার্ক পরিদর্শন করেন। পার্কের পরিবেশ দেখে ওই সকল কর্মকর্তারা প্রশংসা করেন। আশা করছি দ্রæত এমপি মহোদয় পার্কে যাতায়াতের রাস্তাটি সংস্কারের জন্য বরাদ্দ দেবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *